ওঙ্কার ডেস্কঃ বিগত কিছুদিন ধরে একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড দখলের দাবি করেছেন ট্রাম্প। চুক্তির মাধ্যমে না হলে বলপ্রয়োগ করেই দখল নেওয়ার কথা বলেছেন। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, চিন এবং রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে গ্রিনল্যান্ড দখল নেওয়া প্রয়োজন। তবে আদৌ কি ট্রাম্পের এটাই উদ্দেশ্য! মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই এবার তাঁর ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়ুনাস গর স্টুরকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আটটি যুদ্ধ থামানোর পরেও আপনার দেশ আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়নি। তাই আমি এখন শান্তির কথা ভাবা বাধ্যবাধকতা বলে মনে করি না। আমি এখন দেখি আমেরিকার জন্য কী ভাল, আর কী খারাপ।’’ আটেঘাটে ট্রাম্প বুঝিয়ে দিয়েছেন, নোবেল না মেলার কারণেই শান্তির পথ থেকে সরে এসে গ্রিনল্যান্ড দখলের দাবি অব্যাহত রেখেছেন ট্রাম্প।
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণার অনেক আগে থেকেই ট্রাম্প দাবি করছিলেন, এই পুরস্কার তাঁর প্রাপ্য। আট মাসে আটটি যুদ্ধ তিনি থামিয়েছেন। সেই কৃতিত্বের জন্যই নোবেল শান্তি পুরস্কার তাঁর প্রাপ্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নোবেল পাননি ট্রাম্প। জয়ী হিসাবে মাচাদোর নাম ঘোষণা করা হয়। যদিও দিন কয় আগে মাচাদো নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলেন।
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, নোবেল পুরস্কার কাকে দেওয়া হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে তাঁর সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। পুরোটাই ঠিক করেন নোবেল কমিটি।
অন্য দিকে, আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবি সমর্থন না-করায় ইউরোপের আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ব্রিটেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানি, ফিনল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস্। এই সমস্ত দেশ থেকে যে সব পণ্য আমেরিকায় রফতানি করা হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তার উপর ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক কার্যকর হবে।
