ওঙ্কার ডেস্কঃ ইরান ও আমেরিকার সংঘাত। জল কোন দিকে গড়াচ্ছে বোঝা দায়। তবে বিশ্লেষকদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সম্ভাবনা। বুধবার সন্ধ্যায় পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, কাতারের আল-উদেইদ থেকে মার্কিন কর্মীদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এটি ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’। তবে রয়টার্সের দাবি, পেন্টাগনের পদক্ষেপ আসলে কৌশলগত প্রস্তুতি। পাশাপাশি ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন।
ইরানে বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২৪০০ ছাড়িয়েছে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরানোয় প্রথম মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে ইরান। এই দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘সাহায্য আসছে… আন্দোলন চালিয়ে যান। আন্দোলনকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে আমেরিকা ‘কঠোরতম পদক্ষেপ’ নেবে। ইরানও পালটা জানিয়েছে, আমেরিকার হামলা হলে তারাও প্রতিশোধ নেবে। পাশাপাশি তেহতান জানিয়েছে, তাদের প্রতিবেশী দেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে যদি আমেরিকা আক্রমণ চালায়, তবে সেই দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে। ফলে কেউ রেহাই পাবে না।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে কাতার থেকে সেনা সরালো আমেরিকা। পরিস্থিতি যে আর সরল নেই তা বোঝা যাচ্ছে বলে মত বিশ্লেষকদের। প্রসঙ্গত, গতবছর ইরানে আমেরিকার হামলার পর কাতারের ঘাঁটিতে ইরানের মিসাইল আছড়ে পড়েছিল। সে সময়ও একইভাবে বিনা শব্দে সেনা সরিয়েছিল আমেরিকা।
