ওঙ্কার ডেস্কঃ ইরান-আমেরিকা পরমাণু বৈঠক। বৈঠকের আগে আরব সাগরে সামরিক উপস্থিতি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির পথেই সমাধান চান। তবে আলোচনা যদি ব্যর্থ হয় তাহলে শক্তি প্রয়োগের প্রস্তুতিও রয়েছে। সূত্রের খবর, আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর অ্যাব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পছন্দের পথ কূটনীতি হলেও, তাঁর হাতে “অনেক বিকল্প” আছে। ট্রাম্প চান ইরানের “পরমাণু সক্ষমতা শূন্য” হিসেবে নিশ্চিত হোক।
শুক্রবার ওমানে বৈঠক। তবে দুই দেশের আলোচনার পরিধি নিয়ে মতভেদ আছে। ওয়াশিংটন চাইছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির পাশাপাশি তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব এবং মানবাধিকার রেকর্ড নিয়েও আলোচনা হোক। তবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, আলোচনা কেবল পরমাণু ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, রেভোলিউশনারি গার্ডসের একটি ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিতে দীর্ঘ-পাল্লার খোররমশাহর-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শন। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী রণতরী এবং নজরদারি বিমান পাঠিয়েছে।
ইরান আমেরিকা বৈঠক নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়ছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন, এই বিরোধ যেন সংঘাতে না গড়ায়। অন্যদিকে, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ উপসাগর সফরে “গভীর উদ্বেগ” প্রকাশ করেছেন। চিনও সংযমের আহ্বান জানিয়ে শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করেছে।
