ওঙ্কার ডেস্ক: প্রেমের দিবসে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে একসঙ্গে ডিনার করেছিলেন। সেই ডিনারের পর স্ত্রীর গলা কেটে খুন করলেন হরিয়ানার এক তরুণ। স্ত্রীকে খুনের পর ডাকাতির গল্প ফেঁদে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টাও করেন তিনি। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রিপোর্ট অনুসারে, নিহত মহিলার নাম মাহক। একটি ব্যাঙ্কে কর্মরত ছিলেন তিনি। অভিযুক্তের নাম অনশুল ধাওয়ান, পেশায় তিনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হরিয়ানার বাহাদুরগড়ে তাঁকে খুন করেন অভিযুক্ত। যদিও ঘটনার ১৮ ঘন্টার মধ্যে ঝাজ্জর পুলিশ খুনের রহস্যের কিনারা করে। তদন্তকারীরা জানান, প্রথমে অভিযুক্ত ডাকাতির ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ভেঙে পড়ে তাঁর অপরাধ স্বীকার করে নেন অনশুল।
রবিবার রাত ১১ টা নাগাদ গুরুগ্রামে কর্মরত অনশুল পুলিশকে ফোন করেন। তিনি দাবি করেন, ডাকাতরা তাঁর স্ত্রীর গলা কেটে খুন করেছে। কিন্তু তদন্ত শুরু হওয়ার পর, আধিকারিকরা তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন। অনশুল বারবার নিজের দাবি বদলাতে থাকেন। হামলাকারীদের বর্ণনাও তিনি ঠিক মতো দিতে পারেননি, যা পুলিশকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত জানান, ব্যাঙ্কে কর্মরত মাহকের চরিত্র নিয়ে সন্দেহ করতেন অনশুল। দুজনের মধ্যে প্রায়শ ঝগড়া হত এই কারণে। এই সন্দেহ অবশেষে তাঁকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়। যদিও নিহত তরুণীর বাবা কৃষ্ণ কাঠুরিয়া শুরু থেকেই তাঁর জামাইকে সন্দেহ করছিলেন।
