ওঙ্কার ডেস্ক: আজ যেন খাদ্যরসিক বিশেষত বাঙালিদের জন্য এক আদর্শ দিন। একেই আজ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার, তার উপর এমন মেঘলা দিন! আহা! আজ যেন সব মিলিয়ে আয়েশ করে খিচুড়ি আর ইলিশমাছ ভাজা খাওয়ার দিন। কিন্তু যারা emergency duty-র সঙ্গে যুক্ত, কিংবা যেসকল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আজ খোলা, সেখানকার কর্মচারীদের সত্যিই আজ হতাশার দিনও বটে!
যাই হোক, দীর্ঘ তীব্র দাবদহে বলা যেতে পারে ঝলসেছে দক্ষিণবঙ্গবাসী। তারপর দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে নেমেছে স্বস্তির বৃষ্টি। উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ওড়িশা পশ্চিমবঙ্গ উপকূলবর্তী অঞ্চলে তৈরি হওয়া সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আর এর প্রভাবেই সোমবার ভোররাত থেকেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলিতে।
সকাল থেকেই কালো মেঘে সেজেছে আকাশ। রোদের তো বিন্দুমাত্র দেখা নেই-ই, বরং ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। সর্বোপরি ভ্যাপসা গরমের হাত থেকে মুক্তি।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর এই নিম্নচাপ সোমবার থেকে শুরু করে আগামী শনিবার পর্যন্ত বজায় থাকবে । সোমবার দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে এদিন ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। এছাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ঘণ্টায় ৪০–৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সঙ্গে চলবে বৃষ্টির দাপট।
মৎস্যজীবীদের ৭ জুলাই পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।
উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মঙ্গলবারের পর থেকে ফের ভারী বৃষ্টি শুরু হবে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আগামী বুধবার এবং বৃহস্পতিবার অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরেও।