নিজস্ব সংবাদদাতা, বসিরহাট: সাইদা ফকির একজন গৃহবধূ । দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি মুম্বাইতে বসবাস করেন। তার স্বামী গাড়ির সাফাই কর্মী হিসাবে মুম্বাইতেই কাজ করেন । চলতি মাসের ১৯ তারিখ সাইদা ফকির বাজার করতে যান। সেই সময় নাভি মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করে এবং তাকে বাংলাদেশী তকমা দিয়ে মুম্বাইয়ের একটি হোল্ডিং সেন্টার রাখা হয়। কিন্তু তার স্বামী পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দাবী করেছেন ওই বধূ জন্মগত ভাবে ভারতের বাসিন্দা | এরপরই তারা শরণাপন্ন হন মানবাধিকার কমিশনের। ২৩ জুলাই মানবাধিকার কমিশন ওই গৃহবধূর উপযুক্ত নথিপত্র , প্যান কার্ড, আধার কার্ড , ভোটার কার্ড একাধিক উপযুক্ত নথীপত্র নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন |
ইতিমধ্যেই জানা যায় মুম্বাই পুলিশ আসাম সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশের পাঠিয়ে দিয়েছে | সেখানে তিনি এখন একটি গ্রামে রয়েছেন। এই নিয়ে রীতিমতো সোচ্চার হয়েছে সাইদা ফকিরের পরিবার | পরিবারের দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সাইদা এখানকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও নথীপত্র না দেখে তাকে বাংলাদেশী সন্দেহ করে তাকে কিভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিল মুম্বাই পুলিশ ? তারা এই নিয়ে মহামান্য কলকাতা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন |
সাইদা ফকিরের পুত্রবধূ রূপালী কারিগর বলেন দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে মুম্বাইতে রয়েছেন তিনি। তাকে বাংলাদেশী তকমা নিয়ে প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে এ রাখা হয় তারপরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় । আমরা তাকে ফেরত পেতে চাই, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা করুক । আমরা ইতিমধ্যে প্রশাসনিক একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। সরকারপক্ষ আমাদেরকে সাহায্য করুক ।