ওঙ্কার ডেস্ক: বিজেপি জেতার ২৮ দিনের মাথায় ভেঙে খান খান হয়ে গেল ২৮ বছর বয়সী তৃণমূল কংগ্রেস। এখন দলটি দুই ভাগে বিভক্ত। মমতা পন্থী ও ঋতব্রত পন্থী। দলের ৫৮ জন বিধায়ক একে একে যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত-র সঙ্গে। তবে এই বিদ্রোহী ছাড়া বাকি বিধায়কদের অন্যতম কুণাল ঘোষ প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সরব হচ্ছেন। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি ফের এই ইস্যুতে বার্তা দিয়েছেন। রীতিমতো বিদ্রোহী বিধায়কদের স্পষ্ট কথা ”কাকে নেতা মানবেন, তার ওপর আপনাদের রুচির পরিচয় নির্ভর করছে।” এই পোস্টে তিনি সরাসরি তুলনা টেনেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কুণাল বলছেন, একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় – তৃণমূলের প্রথম বিধায়ক, বিধানসভার সিনিয়র মোস্ট বিধায়ক, দশ বারের বিধায়ক, চিরকাল নেত্রী ও দলকে আনুগত্যের পরিচয় দেওয়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে সিপিএম থেকে একাধিক অভিযোগে বহিষ্কৃত, দলবদলু, ক্ষমতার সঙ্গে থাকার প্রবণতাসম্পন্ন প্রথমবারের বিধায়ক।
কুণাল ঘোষ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টে রীতিমতো তোপ দেগে বলেন, ‘’এই বিধায়ক চাটন ঋত, তৃণমূলের প্রতীকে, মমতাদির ছবি ব্যবহার করে জেতা। আপনারা যাঁরা অভিষেকের সমালোচনা করেছেন, দলে উনি তো অভিষেক-ঘনিষ্ঠ। অভিষেকই ওকে আইএনটিটিইউসির সভাপতি করেছিলেন, রাজ্যসভা দিয়েছেন, দল সরকার গড়লে মন্ত্রীও করতেন। তাহলে তখন আপনাদের এসব কথা কোথায় থাকত?” বিধায়কের পরামর্শ, ”নেতা কে? তুলনা করুন। আদ্যন্ত মমতাপন্থী ১০ বারের বিধায়ক শোভনদেবদা, নাকি দুটো দল থেকে বিতাড়িত অন্য দলের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা চাটন-ঋত।”
প্রসঙ্গত, এর আগে অশালীন আচরণ করার কারনে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন ঋতব্রত। এরপর ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিধানসভায়। কালের বিবর্তনে সেই তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। তৈরি করেন আসল তৃণমূল যেটি সম্পূর্ণ অভিষেক বিরোধী বলে জানান তিনি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলের সেই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আদতে