ওঙ্কার ডেস্ক: ভাঙনের পরে দলের রণকৌশল কী হবে তা নিয়ে শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠক ডেকেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু জোড়াফুল শিবিরের পুরনো নেতাদের উপস্থিতি ছাড়া দেখা গেল না নব্য তৃণমূলের কাউকে। কলকাতার সদ্য প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বৈঠকে ছিলেন। তৃণমূল নেত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলেন অসীমা পাত্র, মদন মিত্র, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কুণাল ঘোষ।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। বলা ভালো এখনও সেই রক্তক্ষরণ অব্যাহত। সদ্য কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। বিভিন্ন পুরনিগমে মেয়রদের ইস্তফার হিড়িক পড়েছে। শুধু তাই নয়, সংসদীয় দলেও ভাঙনের জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই আবহে তৃণমূল সুপ্রিমোর ডাকা বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু সেই বৈঠকে জোড়াফুল শিবিরের আদি নেতাদের দেখা গেল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের প্রশ্ন, কেবল আদি নেরতাদের সঙ্গে নিয়ে কি মমতা তৃণমূলের শক্তিক্ষয় রুখতে পারবেন?
একাংশ মনে করছেন, মমতার ডাকে সাড়া দিয়ে যদি ঋতব্রত গোষ্ঠীর বিদ্রোহীদের কেউ কেউ এই বৈঠকে আসতেন তাহলে, বিরোধী দলনেতা হিসাবে ঋতব্রতকে বিধানসভা থেকে সরানো সম্ভব যেত। সমর্থন জোগাড় করতে পারলেই নতুন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দাবি করতে পারতেন। কিন্তু এদিনের বৈঠকে ‘বিদ্রোহী’দের কেউ না থাকায় তৃণমূলের প্রতীক রক্ষা করা কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ।