ওঙ্কার ডেস্ক: মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার কংগ্রেস সাংসদ বলেন, পড়ুয়ারা ন্যায্য কারণে আন্দোলন করছে কিন্তু সরকার তাদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ১০ বছরে ১৫২ প্রশ্নফাঁস হয়েছে, কিন্তু কারোর সাজা হয়নি।
দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বুধবার রাহুল গান্ধী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘বিকৃত’ করে ফেলা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘অযোগ্য’ বলে আখ্যা দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, ‘পড়ুয়ারা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছে। এটি ন্যায্য। ধর্মেন্দ্র প্রধান দুর্নীতিগ্রস্ত ও একজন অযোগ্য ব্যক্তি। তাঁকে অবশ্যই সরাতে হবে।’ ছাত্রছাত্রীদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে রাহুল বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান ‘পুরো বিশৃঙ্খলার প্রতীক।’ ‘আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ শিক্ষাব্যবস্থা—তা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। পরিসংখ্যান তুলে ধরে কংগ্রেস নেতা বলেন, গত ১০ বছরে অন্তত ১৫২টি প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, অথচ এগুলোর জন্য কাউকেই শাস্তি পেতে হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০ জুলাই দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সংসদ অভিযানে পুলিশ হামলা চালিয়েছিল। লাঠিচার্জ, সেই সঙ্গে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে দিল্লি পুলিশ। পড়ুয়াদের মিছিলে পুলিশি দমন পীড়নের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেখান থেকে তাঁকে টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায় অমিত শাহের পুলিশ। তার পর দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফের নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন তিনি।