ওঙ্কার ডেস্কঃ শনিবারই বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক। পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়া জেলা পুলিশ ও সিআইডির যৌথ উদ্যোগে শ্যামপুর থানা এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনে মোট ৫১ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এই ঘটনায় আগেই ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছিল। এবার জালে আরও এক অভিযুক্ত। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর গত ২১ তারিখ থেকে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তদন্ত শুরু করে সিআইডি।
শনিবার বিকেলে বাগনানে নিহত দলীয় কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়ি গিয়ে পরিবারকে আশ্বাস দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, “প্রশান্ত খুনের ঘটনায় সিট তৈরি করে তদন্ত শুরু হয়। আমি বলছি, দরকারে পাতাল থেকে তুলে এনে গ্রেফতার করতে হবে। আমি এসপিকে বলেছি। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব।”
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন রাতে বাগনান ৫ নম্বর মণ্ডলের ১৯৭ নম্বর বুথের সহ-সভাপতি, বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা প্রশান্ত দে খুন হয়েছিলেন। বিজেপির দাবি, একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় প্রশান্ত দে-র। ফোন করে জানানো হয়, “মার্ডার করে দিয়েছি, নিয়ে যা। তোরা কেউ এলেও খুন করে ফেলব।” এতে অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূলের উপপ্রধান মফিজুল রহমানের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।
যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল উপপ্রধান এখনও অধরা। শনিবার সম্ভবত তাঁকে নিশানা করেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, পাতাল থেকে খুঁজে এনে গ্রেফতার করতে হবে।