ওঙ্কার ডেস্ক: ১০ দিন পর জামিনে মুক্তি পেলেন বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চ্যাটার্জি। শুক্রবার তাঁর আদালতের জামিন মঞ্জুর করল কলকাতার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে যে কটি মামলা ছিল, তার সবকটিতেই জামিন মিলেছে। তাই গর্গর জেলমুক্তিতে আর কোনও বাধা নেই। শিগগিরই তিনি জেল থেকে বেরিয়ে আসবেন। এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত বাংলা পক্ষের সদস্য, সমর্থকরা। উল্লেখ্য, ভোটের সময় ইভিএম নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গত ১২ মে বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়। নির্বাচন পর্বে এত রকমের পোস্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছিলেন উত্তর কলকাতার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও। তার ভিত্তিতে গর্গকে দু’বার নোটিস পাঠিয়ে তলব করেছিল লালবাজার। তিনি হাজিরা না দেওয়ায় ১২ মে গ্রেপ্তার হন। ওইদিন রাত থেকে তাঁকে লালবাজারের লক-আপে কাটাতে হয়েছে। পরেরদিন তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে জামিন খারিজ হয়ে যায়। ফলে বেশ কয়েকদিন তাঁকে জেলেই থাকতে হয়। শুক্রবার তাঁকে কারাগার থেকে ভারচুয়ালি কলকাতার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক শর্তসাপেক্ষে গর্গের জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিন ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক শর্তসাপেক্ষে জামিনের নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে খবর, ২,০০০ টাকার বন্ডে এই জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। জামিনের শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে প্রতি সপ্তাহে একবার মামলার তদন্তকারী অফিসারের সাথে দেখা করতে হবে এবং তদন্তের প্রতিটি পর্যায়ে পুলিশকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। এর আগে ময়দান থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন। এবার সাইবার থানার মামলা থেকেও জামিন পাওয়ায় স্বস্তিতে তাঁর পরিবার ও সংগঠন। গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের মুক্তি ঘিরে এদিন আদালতের বাইরেও কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন পর্বের এই বিতর্কিত অধ্যায়ের পর তাঁর মুক্তিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে।