নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বাংলা সাহিত্য জগতে কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। জীবনের শেষ পনেরোটা বছর তিনি কাটিয়েছিলেন হাওড়ার সামতার বাড়িতে। সামতা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে দেউলটি স্টেশন। যাতায়াতের পথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্বাভাবিকভাবেই দেউলটি স্টেশন ব্যবহার করতেন। তাই সেই স্মৃতি অমর করে রাখতে আমতা এবং বাগনানের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি দেউলটি স্টেশনের নামকরণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নামে করা হোক। আর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে এবার উদ্যোগী হলেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত।
বাংলা সাহিত্য জগতে অন্যতম এক প্রতিভার নাম শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যিনি কথাশিল্পী হিসেবেও বিশেষ পরিচিত। এই বাংলার মাটিতেই তাঁর জন্ম, কর্ম, বেড়ে ওঠা। জীবনের শেষ পনেরোটা বছর তিনি কাটিয়েছিলেন হাওড়ার সামতার বাড়িতে। রূপনারায়ণ নদের ধারে নিজের হাতে তৈরি বাড়িতে বছর ধরে একের পর এক কাল জয়ী উপন্যাস সৃষ্টি করে গেছেন কথাশিল্পী। ‘রামের সুমতি’, ‘বিপ্রদাস’, ‘মেজ দিদি’-র মত বেশ কিছু গল্প উপন্যাসের সৃষ্টি এই বাড়ি থেকেই। সামতা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব রেলের দেউলটি স্টেশন। যাতায়াতের পথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্বাভাবিকভাবেই দেউলটি স্টেশন ব্যবহার করতেন। তাই সেই স্মৃতি অমর করে রাখতে আমতা এবং বাগনানের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি দেউলটি স্টেশনের নামকরণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নামে করা হোক।
কথাশিল্পীর নামে “শরৎ গ্রাম পঞ্চায়েত” রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠছিল দেউলটি স্টেশন থেকে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে করা হোক। আর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে এবার উদ্যোগী হলেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। বিষয়টি রেল দপ্তরকে জানানোর জন্য ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক। বিধায়কের এই উদ্যোগে স্বাভাবিকভাবেই খুশি শরৎ অনুরাগী থেকে শুরু করে আমতা এবং বাগদান বিধানসভার মানুষ।