ওঙ্কার ডেস্কঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঔদ্ধত্যে রুষ্ট কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের উপর বেজায় চটে তাঁর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ছেলে শীর্ষন্ন্য-সহ যে জুনিয়র আইনজীবীরা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সকলেই সরেছেন বলে খবর।
মমতার সাধের সাজানো দল যখন ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে, একের পর এক নেতা মন্ত্রীরা যখন মমতার হাত ছেড়ে দিচ্ছেন, তখন দলের চরম সংকটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছেন বর্ষীয়ান সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনিই বললেন, ‘মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান।’
বুধবার অভিষেকের হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অভিষেকের হয়ে সওয়াল করার কথা ছিল তাঁরই। বৃহস্পতিবারই হঠাৎ জানা যায়, মামলা থেকে সরে গিয়েছেন কল্যাণ। তাঁর বদলে লড়বেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। কিন্তু কেন আচমকা সরে গেলেন কল্যাণ? তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ বিষয়ে শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, “ওর জন্য দলটা শেষ হয়ে গেল, তারপরও কী ঔদ্ধত্য! কাল রাত সাড়ে ১২টায় আমার ছেলেকে ফোন করে বলছে জুনিয়রস্য জুনিয়র অয়ন এই মামলায় সওয়াল করবে। এটা শুনে আমি বলে দিয়েছি, আমি অভিষেকের সঙ্গে নেই। ওর উদ্ধত মেনে নেব না।”
এপ্রসঙ্গে কল্যাণ পুত্র বলেন, “আমি আইনজীবী। আমি অপমানিত হতে রাজি নই। ওনার মামলা আমি লড়ব না।” বর্তমানে তৃণমূল ভেঙে কার্যত টুকরো টুকরো। মমতার সঙ্গে রয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কল্যাণ। কিন্তু
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যে রুদ্ররূপ ধারণ করেছেন, তাতে প্রয়োজনে তৃণমূল ছাড়তেও যে কল্যাণ পিছপা হবেন না, তা স্পষ্ট।