স্পোর্টস ডেস্ক : ১৫ বছর বয়সে ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়ে নজির বৈভব সূর্যবংশীর। সিরিজ সেরার পুরস্কার পেলেন জিম্বাবোয়ে সিরিজে। শেষ টি২০ ম্যাচে শতরান হাতছাড়া হয়। বৈভব করেন ৮১। তবে নিজের শতরানের থেকে শেষ ওয়ান ডেতে দলের জয়ে ভূমিকা রাখতে পেরে বেশি খুশি বৈভব। এদিন ম্যাচের শেষে বৈভব জানালেন,’সত্যিই, স্বপ্ন সত্যি হল। প্রথম বার ম্যাচ ও সিরিজ়ের সেরার পুরস্কার পেলাম। আমি খুব খুশি। এটাই আমার খেলার ধরন। তিনটে ম্যাচেই দলের জন্য খেলার চেষ্টা করেছি। দলকে ভাল শুরু দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এক বার ভাল শুরু হলে তখন বড় ইনিংসের লক্ষ্যে এগিয়েছি। এটাই আমার খেলার ধরন। দেশকে জেতাতে চাই। তার বাইরে কিছু মনে থাকে না।’পাশাপাশি জিম্বাবোয়ে সিরিজ় শেষে ইনস্টাগ্রামে সতীর্থদের সঙ্গে ছবি রয়েছে। সিরিজ় জিতে ট্রফি নিয়েও ছবি রয়েছে। ক্যাপশনে সে লিখেছে, “সবে তো শুরু।” সে বুঝিয়ে দিয়েছে, ভারতের সিনিয়র দলের জার্সিতে এক বার সেরা হয়েই থেমে থাকবে না।
এই সিরিজ়ে ভারতের কোচ হয়ে যাওয়া ভিভিএস লক্ষ্মণের মুখেও বৈভবের প্রশংসা। সিরিজ জিতে সাংবাদিক বৈঠকে লক্ষ্মণ জানিয়েছেন, আড়াই বছর আগেই বৈভবের প্রতিভা চিনে ফেলেছিলেন তাঁরা। ধীরে ধীরে সেই প্রতিভাকে আরও ধারালো করা হয়েছে। লক্ষ্মণ বলেন, “আমরা বৈভবকে খুব ভাল ভাবে চিনি। আড়াই বছর আগে ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগেই ওর প্রতিভা বুঝে গিয়েছিলাম। বিজয়ওয়াড়ায় একটা প্রতিযোগিতায় ও খেলেছিল। সর্বাধিক রান করেছিল। তার পর থেকে উৎকর্ষ কেন্দ্রে (সেন্টার অফ এক্সেলেন্স) অনেকগুলো শিবিরে ওকে ডাকা হয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ও সর্বাধিক রান করেছিল। এখন ও আরও পরিণত হয়েছে। আমরা ওকে আরও ভাল ভাবে তৈরি করছি। আগামী দিনে যাতে বৈভব ভারতের সেরা ম্যাচ উইনার হতে পারে, সেই চেষ্টাই করছি। সত্যিই, স্বপ্ন সত্যি হল। প্রথম বার ম্যাচ ও সিরিজ়ের সেরার পুরস্কার পেলাম। আমি খুব খুশি।টি২০ ক্রিকেটে এটাই আমার খেলার ধরন। তিনটে ম্যাচেই দলের জন্য খেলার চেষ্টা করেছি। দলকে ভাল শুরু দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এক বার ভাল শুরু হলে তখন বড় ইনিংসের লক্ষ্যে এগিয়েছি। এটাই আমার খেলার ধরন। দেশকে জেতাতে চাই। তার বাইরে কিছু মনে থাকে না।”