ওঙ্কার ডেস্ক: বেসুরো ‘বিদ্রোহী’ বিধায়ককে নিয়ে যখন কারুকাজ করছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা, ঠিক তখনই বেনজির পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এক মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্তরের দলীয় কমিটি এবং সমস্ত শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়া হল। বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তৃণমূলের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। জোড়াফুল শিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “গভীরভাবে পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কমিটি এবং এর সমস্ত শাখা সংগঠন অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া হল।”
বুধবার তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডেলে পোষ্ট করে জানানো হয় পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্তরের দলীয় কমিটি এবং সমস্ত শাখা সংগঠন ভেঙে নতুন করে সমস্তটা সাজবে তৃণমূল। আরও জানানো হয়েছে দলের সমস্ত স্তর আবারও পর্যালোচনা করা হবে এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতেই ফের ঢেলে সাজানো হবে সব। বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে দলের অন্দরে যা সিধান্ত নেওয়া হবে তা অতি সত্ত্বর প্রকাশও করা হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে আরও জানানো হয় দল আগামী দিনে আসা সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। ঘাসফুল দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ এখন নজর থাকবে, দলের এই সর্বাত্মক পদক্ষেপের পর ঋতব্রত-সন্দীপনদের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির কী কৌশল নেয়।
প্রসঙ্গত আজই তৃণমূলের মোট ৫৮ জন বিধায়কের সই সহ অধ্যএক্ষের কাছে গিয়েছেন। স্পিকার দেওয়া চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলনেত্রী বলে উল্লেখ করা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু সেই সঙ্গে লেখা রয়েছে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে তাঁরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনোনীত করা হয়েছে। উপ-দলনেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে জাভেদ খান, শিউলি সাহা, সন্দীপন সাহা এবং সাবিনা ইয়াসমিনের নাম। মুখ্য সচেতক পদে আখরুজ্জামানের নাম জমা দেওয়া হয়েছে।