ওঙ্কার ডেস্ক: ফের নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগ বারুইপুরে। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার শাসন এলাকায়। মথুরাপুরে এক মুরগি ব্যবসায়ী এক নাবালিকাকে সঙ্গে করে ঘর ভাড়া নেওয়ার জন্য গেলে সন্দেহ বাড়ে বাড়ি মালিকের। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি মালিক স্থানীয়দের খবর দেয় এবং পাকড়াও করে দুইজনকেই। প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় খাবারের লোভ দেখিয়ে ঐ নাবালিকাকে এনে তাঁকে নির্যাতনের মনোভাব ছিল অভিযুক্তের। পরে পুলিশে খবর দিলে অভিযুক্তেকে হেফাজতে নেয় বারুইপুর থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার শাসন এলাকায় এক বছর ৩০-এর এক ব্যাক্তি ১২-১৩ বছরের এক নাবালিকাকে সঙ্গে করে ঘর ভাড়া খুঁজতে থাকে। মেয়েটি দেখেই সন্দেহ হয় বাড়ি মালিকের। তারপর স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায় ব্যাক্তি পেশায় মুরগু ব্যবসায়ী এবং মথুরাপুরের বাসিন্দা। নাবালিকা প্রথমে নিজের বাড়ি বেলেঘাটায় বলে জানায় কিন্তু পরে নিজের বাড়ি ব্যারাকপুরও বলে। সন্দেহ করা হচ্ছে নাবালিকা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় শিয়ালদহ স্টেশনে অভিযুক্তের সঙ্গে দেখা হয়। পরে ঐ ব্যাক্তি নাবালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বারুইপুর নিয়ে যায়। সেখানেই যৌন শোষণ করার কথা ভেবেছিল অভিযুক্ত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত এবং ঐ নাবালিকাকে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে দুইজনকেই। পাশপাশি এলাকার মানুষদের কাছে পুরো ঘটনার বিবৃতিও নিচ্ছে পুলিশ। ঘটনার পুর্ন তদন্ত এবং দোষীর যথাযথ শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৫ জুলাই বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ খুনে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডলকে ঘটনার পুনঃনির্মান করাতে নিয়ে গেলে পুলিশের সার্ভিস রিভলভার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে সে। পুলিশের উপর গুলি চালালে পাল্টা দুই রাউন্ড গুলিতে নিহত হয় প্রভাস মন্ডল। মঙ্গলবার ফের বাকি অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনার পুনঃনির্মান করতে নিয়ে যাওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘটনার দোষীদের কেন্দ্রীয় শাস্তির কথা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবার প্রশাসনের কাজে সন্তুষ্ট বলেও জানিয়েছে একাধিকবার।