নিজস্ব প্রতিনিধি, উত্তর ২৪ পরগণা: হাতে গোনা আর ক’দিন পরেই বসন্ত উৎসব। রঙে রঙে সেজে উঠবে আকাশ বাতাস। তবে এই সময় বিভিন্ন ধরনের রং মাখামাখি করে শেষে ওই রং তোলা দায় হয়ে দাঁড়ায়। কেমিক্যাল মেশানো কঠিন সমস্ত রং গায়ে লেগে থাকে কয়েকদিন। আবার এই কেমিক্যাল রঙের জেরে অনেকের চর্মরোগও হয় । তাই অনেকে রঙের চেয়ে আবির খেলাই অধিক পছন্দ করেন। আবার কেউ বলেন তাদের আবিরেও এলার্জি ! অবশ্য আধুনিক সময়ে আবির তৈরিতে যে ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হয় তাতে সমস্যা হওয়াটাও স্বাভাবিক। আর এই সমস্ত কথা মাথায় রেখে এবং দোল উৎসবে নিজেদের তৈরি ভেষজ আবিরের সাহায্যে যে রাঙানো যায়, সেই বার্তা দিলেন হাবড়ার টুনিঘাটা এলাকায় এক পাঠশালার কর্মকর্তা সঞ্জীব কাঞ্জিলাল।
এই পাঠশালায় প্রায় ৬০ জন ছাত্র ছাত্রী রয়েছে। যারা খুবই দরিদ্র ঘরের। সঞ্জীব কাঞ্জিলাল বলেন, যত ছাত্র ছাত্রী রয়েছে তাদের শরীর ও অর্থনৈতিক অবস্থার কথা ভেবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে আবির তৈরির শেখানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
গত বছর দোল উৎসবে ভেষজ আবীর কিনে উৎসব পালন করা হয়েছিল আর এবার নিজেরা পড়ুয়াদের সামনে রেখে ভেষজ আবীর তৈরির পদ্ধতি দেখায়, এমনকি যে আবীরও তৈরি করল ,তা এবার দোল উৎসবে তারা ব্যবহার করবে।
পালং শাক দিয়ে তৈরি হলো সবুজ আবীর আবার বিটের সাহায্যে তৈরি হল আরও একটি আবীর, হলুদ গাঁদা ফুলের পাপড়ি দিয়ে হলুদ আবির এবং বাসন্তী গাঁদার পাপড়ি দিয়ে বাসন্তী আবির তৈরি করা হলো। সবাইকে আবির তৈরীর পদ্ধতিও দেখিয়ে দেওয়া হল যাতে স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা মাথায় রেখে সবাই ভেষজ আবীর দিয়েই দোল উৎসব পালন করে।
