ওঙ্কার ডেস্কঃ খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই একাধিক সমস্যা এসআইআর নিয়ে। শুনানি নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে। এসআইআর আবহে রাজ্যে এসেছেন ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। তিনি বাংলার সব জেলার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে এসআইআরের কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভারতী। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এস. বি. জোশি, মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও।
এত কিছু করার পরও ভুল থেকে যাচ্ছে। এত ভুল হলে সময়ের মধ্যে কীভাবে শেষ হবে এসআইআরের কাজ, আর তা শেষ না হলে কী করে সময়মতো নির্বাচন হবে? এই প্রশ্নই তোলেন ভারতী। সূত্রের খবর, কমিশনের নজরে এসেছে যে, কোথাও কোথাও একজন লোকের নামে ৩৬৫ জন ম্যাপিং করেছে, আবার কোথাও এক মহিলার নামে ম্যাপিং হয়েছে ৬০-৬৫ জনের। এই সব বিষয় নিয়েই বাংলায় এসআইআরের কাজ নিয়ে ক্ষুন্ন হয়েছে ভারতী।
জ্ঞানেশ ভারতী জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে অসঙ্গতি রয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ। বিএলও-রা ছোট ছোট কিছু ভুল ঠিক করলে এই সংখ্যাটা কমবে। তারপর যে সংখ্যাটি থাকবে তাদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। তার জন্য মঙ্গলবারই বিএলও অ্যাপে অপশন চালু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার নির্বাচন কমিশনের পাঠানো রোল অবজার্ভার সি মুরুগান একটি বড় বিষয় লক্ষ্য করেছিলেন। তাঁর নজরে এসেছিল যে, অনেক জায়গায় এসআইআরের জন্য নির্দিষ্ট করা ১১টি নথির বাইরে অন্য নথি কেউ কেউ জমা করেছেন। কারা এই নথি জমা করেছেন? জমা নিচ্ছেন কারা? তাদের একটি তালিকা মাইক্রো অবজার্ভারদের তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই বিষয় নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট করা ১১টি নথির বাইরে অন্য নথি জমা দেওয়া হচ্ছে। এটি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
