শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: শহিদ ক্ষুদিরাম বসু, ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার প্রথম শহীদ তিনি। ভারতের ইতিহাসের পাতায় যার ত্যাগের কথা আজও জ্বলজ্বল করছে, যার দেশপ্রেমের কাহিনী এখনও দেশপ্রেম শেখায় সকলকেই। জন্মভুমি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের অন্তর্গত মোহবনী গ্রাম। মডেল গ্রাম হিসেবে সেজে উঠছে তাঁর জন্মভূমি। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকার পর, অবশেষে মডেল গ্রাম হিসেবে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেন মোহবনীকে। ইতিমধ্যে মোহবনী গ্রামের রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে পানীয় জল, ড্রেনেজ ও পথবাতীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামের সমস্ত রাস্তা পাকার তৈরি করা হয়েছে, সেই সঙ্গে রাস্তার দুই ধারে লাগানো হয়েছে স্ট্রিট লাইট। তৈরি হয়েছে মোহবনী উন্নয়ন পর্ষদ। সেজে উঠছে শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভিটে। । দীর্ঘ কয়েক দশক পর গ্রামের রাস্তা-ঘাট, পথবাতীতে সেজে ওঠায় খুশিতে গ্রামের সাধারণ মানুষ।
তাদের দাবী কয়েক দশক ধরে বাম সরকারের আমল থেকে একেবারে অন্ধকারে ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামীর গ্রাম। বর্তমান রাজ্য সরকার মডেল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকে সুন্দরভাবে সেজে উঠছে মোহবনী। একটা সময় ছিল যখন রাস্তাঘাট দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া থেকে গ্রামের মানুষের বাজারে যাওয়া, একেবারেই নিরুপায় হয়ে গিয়েছিল। তবে এখন গ্রামের সব রাস্তাই পাকা হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে বাড়তি পাওনা হিসেবে রয়েছে আলো, রাত্রি বেলাও রাস্তাঘাটে বেরোতে ভয় লাগেনা আর। সার্বিকভাবে গ্রামের উন্নয়ন হয়েছে বলেও জানান গ্রামবাসীরা।
কেশপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন গরাই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়ে কথা রাখেন। তিনি মোহবনীকে মডেল গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন, সেই মতোই মোহবনী উন্নয়ন পর্ষদ গঠন হওয়ার পর, মোহবনী গ্রামকে মডেল গ্রাম হিসেবে সাজানো হয়েছে। রাস্তা-ঘাট থেকে ড্রেনেজ, পথবাতী ও পানীয় জল সবকিছুই সুন্দরভাবে রূপায়ণ হয়েছে।
