অঞ্জন চট্টোপাধ্যায়
বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ড ফাইনাল। এবারেও শিল্ড ফাইনালে ডার্বি। ব্রাজিল, উরুগুয়ে ম্যাচের হ্যাংওভার কাটতে না কাটতেই যুবভারতীতে ডার্বি ফাইনাল। তবে টিকিটের আগ্রহ ভালোই আছে। ৫০ হাজার লোক মাঠে থাকলে পুজো মরসুমে আশ্চর্য হওয়ার কিছু হবে না। গতবছর যেমন আইএফএ শিল্ড মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গলকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় তেমনই ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগানকে হারিয়ে একতরফা ভাবে ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগানকে হারিয়ে এই বছর চ্যাম্পিয়ন হয়। ফলে এই শিল্ড ফাইনাল দুই দলের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ। ইস্টবেঙ্গলের এএফসির খেলার ফোকাসের মাঝে এই শিল্ড ডার্বি ফাইনাল মর্যাদার।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে লাল হলুদ কোচ আন্টেনিও লোপেজ হাবাস জানালেন,’আমরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। আমি আমার খেলোয়াড়দের উপর বিশ্বাস করি। অবশ্যই প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। তবে এই ম্যাচটা ডুরান্ড কাপের ফাইনালের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে।জাতীয় দল থেকে যারা ফিরছে, তাদের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে হবে। ট্রেনিংয়ে দেখে বুঝতে হবে তাদের অনুভূতি কেমন। কাকে খেলানো হবে, সেটা আমাদের মূল্যায়ন করতে হবে।এএফসি ম্যাচ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই কে কত মিনিট খেলবে, কাকে বেশি বা কম সময় খেলানো হবে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মোহনবাগানের হাতে ছয়-সাত দিন সময় ছিল, আমাদের সেই সুযোগ নেই।”পেনাল্টি শুটআউট প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন হাবাস। মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত পেনাল্টি সেভের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, টাইব্রেকারে ম্যাচ গড়ানোর কথা ভাবতেই চান না।
হাবাসের বক্তব্য, “পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচ জেতাকে আমি বিশেষ কৃতিত্ব দিই না। আমি ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ জিততে চাই। ৯০ মিনিটে না জিতলে অতিরিক্ত সময়, তারপর পেনাল্টিতে যেতে হয়। আমি সেই পরিস্থিতিতে যেতে চাই না।”এদিকে মোহনবাগান কোচ পানস বলে গেলেন,’দল ভালো জায়গায় আছে আমাদের। আমাদের খেলোয়াড়রা খেলোয়াড়রা ম্যাচ ফিট আছে। দল প্রতিভা আর অভিজ্ঞতা দুই মিশ্রণে পরিপূর্ন। ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপের ফাইনালে আমাদের বিরুদ্ধে জিতেছে এটা ঠিকই। কিন্তু এটাও ঠিক আমরা ওদের গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচে হারিয়েছি। ফলে আমাদের সেই গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ জেতাটা মোটিভেশন হিসেবে কাজ করছে।আইএসএলের আগে ট্রফি জেতা আর ডার্বি জেতা যেমন সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস দেবে তেমনই আমাদের মোটিভেশন বাড়াবে।’