ওঙ্কার ডেস্ক: চোরবাগানের দুর্গাপুজো মণ্ডপে বিপর্যয়ের ঘটনায় তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির একাধিক পদাধিকারী। ভিআইপি পাস পরীক্ষা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার দুই কর্মীও।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন পুজো কমিটির সম্পাদক রাজকুমার সেওদা ওরফে রাজা এবং সহসভাপতি শান্তনু দুবে। গ্রেফতার করা হয়েছে কৌশিক সাহাকেও। মণ্ডপে ভিআইপি পাস পরীক্ষা করা এবং দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানোর দায়িত্ব ছিল তাঁর উপর। ভিড় নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা পিন্টু দেকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত বিপ্লব মুখোপাধ্যায় পুজো মণ্ডপের বাঁশের কাঠামো তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার দুই কর্মী সুমন চক্রবর্তী ও রাজেশ পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাতে দুর্ঘটনার পর পুজো উদ্যোক্তাদের কয়েক জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছিল। উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এফআইআর দায়ের করে। অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগেও মামলা রুজু হয়। এরপর রবিবার সকালে সাত জনের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। চোরবাগানের বিপর্যয়ের পর শনিবার রাতেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ফুটেজ খতিয়ে দেখে কারও গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই হুঁশিয়ারির পর সাত জনের গ্রেফতারির খবর সামনে এলো।