ওঙ্কার ডেস্ক: অভিযোগকারিই এখন অভিযুক্ত ! আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতিতে আখতার আলির নামেই চার্জশিট জমা করেছে সিবিআই। এই ঘটনার আখতার আলিকে আলিপুর আদালতে হাজিরা দিতে বলা হলেও তিনি বারবার তা প্রত্যাখান করেছেন বলে দাবি আইনজীবি সঞ্জয় দাশগুপ্তের। অবশেষে আত্মসমর্পনের পথ বেছে নিলেন আখতার আলি। হাসপাতালের অন্দরের আর্থিক দুর্নীতিকান্ডের পর্দাফাঁস করেছিলেন তিনিই। আখতার আলির বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে আলিপুর সিবিআই আদালত।
২০২৪ সালে আরজিকর হাসপাতালে মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুনের কান্ডের সময় হাসপাতালের অন্দরে যে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি র্যা কেট চলছে তা সামনে এনেছিলেন আখতার আলি। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে একাধিক চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। উল্লেখযোগ্যভাবে ঘটনা তদন্তের সময় নাম আসে খোদ আখতার আলির। শেষে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা।
আরজিকর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি কান্ড মামলায় আখতার আলিকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুর সিভিল কোর্ট। আইনজীবি সঞ্জয় দাশগুপ্তের কথায়, “একাধিক বার আখতার আলিকে আদালতে সমন করা হলেও তিনি তা এরিয়ে যান”। তিনি আরও জানান, “আখতার আলি নিজের শারীরিক অসুস্থার কারণ জানালেও তা গ্রাহ্য করেনি আদালত”।
আখতার আলি সিবিআই-এর আনা সমস্ত আইনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত আখতার আলি নিজেই হাসপাতাল থেকে সরাসরি আত্মসমর্পন করার কথা জানিয়েছেন। নির্বাচনের আগে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি করেন আখতার। তিনি এও বলেন, “যদি আমি বেল পাই তাহলে যারা এই অভিযোগে জেল খাটছেন তারাও বেল পেয়ে যাবেন। সেই কারনেই তিনি আত্মসমর্পন করবেন”।
