নিজস্ব সংবাদদাতা : বাংলায় দুর্গোৎসবের আবহে বঙ্গ রাজনীতিতে ফের ‘ঈশ্বর’। বিদ্যাসাগরকে নিয়ে অমিত শাহ ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য পাল্টা মন্তব্যে ফের উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। দুজনের মুখে ‘ঈশ্বর’ প্রসঙ্গ।
দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে বঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার কলকাতার লেবুতলা পার্ক ও সল্টলেকে ইজেডসিসির পুজো উদ্বোধন করেন তিনি। একদিকে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ যখন ঈশ্বর বন্দনা করছেন তখন অন্যদিকে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে মাল্যদান করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অমিত শাহকে ঈশ্বরচন্দ্রের মূর্তি ভাঙার খোঁচা দিতে ছাড়েননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
শুক্রবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, ‘আজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জয়ন্তী। উনি এক সময় শিক্ষার জন্য যা করেছেন তা কেউ ভুলতে পারবে না। বাংলা ভাষা, বাংলার ঐতিহ্য, আর এখানকার মহিলাদের শিক্ষার জন্য উনি নিজের গোটা জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাই আমি ওঁকে মন থেকে প্রণাম করছি।’ অন্য দিকে এদিন বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসগরের মূর্তিতে মাল্যদান করে অমিত শাহকে নিশানা করেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, ‘৬ বছর আগে অমিত শাহর নেতৃত্বেই বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছিল। বহিরাগতরা মূর্তি ভেঙেছিল। কলকাতা শহরকে সেদিন জল্লাদদের উল্লাসমঞ্চে পরিণত করা হয়েছিল।’
প্রসঙ্গত, ৬ বছর আগে ভোটের প্রচারে বঙ্গে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রোড শো চলাকালীন বিজেপির নেতা কর্মীরা বিদ্যাসাগর কলেজে তান্ডব চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। কলেজের দরজা ভাঙচুর থেকে শুরু করে অফিস ঘরে থাকা বিদ্যাসাগরের মূর্তিও ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কেন এইভাবে বিদ্যাসাগরকে অপমান করা হল ? সেই প্রশ্ন তুলে সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
