ওঙ্কার ডেস্ক: ২০১১ সালে কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে উত্তাল হয়েছিল রাজধানী। দুর্নীতিবিরোধী সেই আন্দোলনের সময় থেকেই আন্না হাজারের ঘনিষ্ঠ অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বর্তমানে সেই কেজরিওয়ালের দলে ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন আন্না হাজারে। রাঘব চাড্ডারা আপ ছাড়ার পর আন্নার মন্তব্য, গণতন্ত্রে প্রত্যেকের নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, নেতারা কেন দল ছাড়ছেন, সে বিষয়ে দলের নেতৃত্বকে অবশ্যই ভাবতে হবে।
শুক্রবার মহারাষ্ট্রের অহল্যানগর জেলায় সাংবাদিকদের আন্না হাজারে বলেন, ‘গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই মত প্রকাশের অধিকার আছে। তাঁরা (চাড্ডা ও অন্যরা) নিশ্চয়ই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন, যে কারণে তাঁরা দল ছেড়েছেন।’ প্রবীণ সমাজকর্মী আরও বলেন, ‘এটা তাদের (আপ নেতৃত্বের) দোষ। দল যদি সঠিক পথে চলত, তাহলে তারা দল ছাড়তেন না।’ হাজারে আরও বলেন, ‘দল যদি সঠিক পথে চলত, তাহলে তাঁরা দল ছাড়তেন না’। দল ছাড়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পেছনে যে কারণ থাকে এবং সেগুলোকে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে বলে মত তাঁর। আন্না হাজারের কথায়, ‘আপ ছাড়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো কারণ আছে। গণতন্ত্রে, কোথায় থাকবেন আর কোথায় যাবেন, সে বিষয়ে প্রত্যেক ব্যক্তিরই নিজস্ব মতামত থাকে।’
উল্লেখ্য, আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা শুক্রবার দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। শুধু চাড্ডা একা নন। আরও পাঁচ জনকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এই তরুণ নেতা। রাঘব চাড্ডার এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যসভায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আপের শক্তিক্ষয় হয়েছে স্বাভাবিকভাবে। যদিও দলত্যাগের জন্য চাড্ডা দুর্নীতিকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্য দিকে আপ চাড্ডার এই পদক্ষেপকে পাঞ্জাবের মানুষের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যা দিয়েছে।