ওঙ্কার ডেস্ক: স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর নিয়ে সভা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। সিউড়ি-২ ব্লকের কোমা গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংটে গ্রামে সেই সভায় হাতাহাতিতে জড়াল শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর লোকজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গাংটে গ্রামে সভা চলাকালীন অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের অনুগামীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বলরাম বাগদিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় কাজল শেখের অনুগামীরা। বলরামকে বিক্ষুব্ধদের হাত থেকে বাঁচাতে তাঁকে নিজের গাড়িতে তুলে নেন শতাব্দী। অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সেই সময় সাংসদের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় জুতো।
উল্লেখ্য, বীরভূমের একদা প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মণ্ডল জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আবার রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় হয়েছেন। অনুব্রতের অনুগামীদের সঙ্গে কাজল শেখের ঘনিষ্ঠ লোকজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘ দিনের। সিউড়ি-২ ব্লকে দীর্ঘ দিন ধরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ লেগেই রয়েছে। সিউড়ির তৃণমূল ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম, যিনি কাজলের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের বলে পরিচিত। বলরাম পরিচিত অনুব্রতের অনুগামী হিসেবে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সভা চলাকালীন নুরুলের লোকজন চড়াও হয় বলরামের উপর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে হস্তক্ষেপ করেন সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গোটা ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলেননি শতাব্দী রায়। বলরাম সাংবাদিকদের জানান, পরিবার বড় হলে ছোট ঝামেলা হতেই পারে। তবে সব মিটমাট হয়ে গিয়েছে।
