ওঙ্কার ডেস্ক: লাদাখের রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন থেকে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। যার পিছনে সোনম ওয়াংচুক দায়ী বলে দাবি পুলিশের। আর সে কারণে তাঁকে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর সোনমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজস্থানে। বর্তমানে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে রয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে সোনম ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে। এই আইনে জামিনের সুযোগ ছাড়াই দীর্ঘ দিন আটকে রাখার বিধান রয়েছে। ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি-সহ একাধিক বিরোধী দলও সোনমের গ্রেফতারির নিন্দা করেছে। তাঁর মুক্তির দাবিতে দিল্লিতে মোমবাতি মিছিলও করেছে আপ। অন্য দিকে, সোনমকে গ্রেফতারের পর ভুল তথ্য ছড়ানো রুখতে সরকার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ওয়াংচুকের এনজিও ‘স্টুডেন্টস এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অফ লাদাখ’-এর এফসিআরএ নিবন্ধনও বাতিল করা হয়েছে বৃহস্পতিবার। ২০১৮ সালে র্যা মন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছিলেন সোনম। প্রশাসনের তরফে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা অস্বীকার করেছেন তিনি।
প্রসঙ্গত, লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা এবং পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় বহু তরুণ তরুণী। বুধবার লেহ শহরে সেই বিক্ষোভ চলাকালীনই বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পুলিশের গাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে মোট চার জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার জন্য সোনমের উস্কানি ছিল বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
