ওঙ্কার ডেস্ক: মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা-সহ সাত অভিযুক্ত। ২০০৮ সালের ওই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ছয় জনের, জখম হয়েছিলেন শতাধিক। বৃহস্পতিবার এনআইএ বিশেষ আদালত এই মামলায় সব অভিযুক্তকে খালাস করে দেওয়ায় প্রশ্ন তুললেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন, ছয় নামাজিকে তাহলে কারা খুন করল?
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রমজান মাস চলাকালীন উত্তর মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও শহরে একটি মসজিদের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। একটি মোটরসাইকেল থেকে বিস্ফোরণ ঘটে সেদিন। এই বিস্ফোরণের ফলে ছয় জন নিহত হন এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হন। এই মামলায় বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর ওয়েইসি হতাশা প্রকাশ করেন। তিন সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় হতাশাজনক। বিস্ফোরণে ছয় জন নামাজী নিহত হন এবং প্রায় ১০০ জন আহত হন। তাঁদের ধর্মের জন্য লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। এই বেকসুর খালাসের পিছনে রয়েছে ইচ্ছাকৃত ভাবে নিম্নমানের তদন্ত/প্রসিকিউশন।’
দীর্ঘ ১৭ বছর পর মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় ঘোষণা হল। এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে এসেছিল সাধ্বী প্রজ্ঞার। তাঁর বাইক বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। যদিও আদালতে তার সপক্ষে কোনও প্রমাণ হাজিরা করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। বেনেফিট অফ ডাউটের আওতায় তাঁকে মুক্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন বিচারক। রায়দানের সময় বিচারক বলেন, সন্দেহের বশে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না। কিন্তু, আদালত একমাত্র তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। যে বাইক ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল বলে অভিযোগ, তদন্তকারীরা তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
