ওঙ্কার ডেস্ক: রাম মন্দিরের অনুদান চুরির ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন পরিচারক থেকে শুরু করে প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মীও। সংবাদ সংস্থাকে এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘অভিযুক্তরা সকলেই অযোধ্যাতেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তাঁদেরকে বিচারকের সামনে হাজির করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৬, ৩১৬, ৩১৭ এবং ৬১-সহ অন্যান্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অযোধ্যার ওই মন্দিরে প্রায় ৭ থেকে ৭.৫ কোটি টাকা খোয়া যাওয়ার পর দায়ের হওয়া এফআইআর-এ নাম ছিল অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পান্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে তিনু। এরা প্রত্যেকেই নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী গণনারর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই আট জনকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম শঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের প্রাক্তন চালক। তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কারসেবকপুরমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অনুদানের অর্থ গোনার কাজ করতেন। অনুদান বাক্সের চাবি টিন্নুর কাছেই থাকত বলে তদন্তকারীরাদের দাবি। যদিও নগদ অর্থ গণনার কাজে নিজের ভূমিকার কথা অস্বীকার করেছেন টিন্নু। রামশঙ্কর মিশ্র ওরফে রবি মিশ্রও অনুদান গোনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি তাঁর ছেলে ও জামাইকেও টাকা গোনার কাজে লাগিয়েছিলেন। অনুকল্প মিশ্র অভিযুক্ত রামশঙ্কর মিশ্রের ছেলে। তিনিও অনুদান গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি। আর লবকুশ মিশ্র হলেন রামশঙ্কর মিশ্রের জামাই। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আত্মসাৎ করা অর্থ সরিয়ে ফেলার দায়িত্ব ছিল লবকুশের ওপর। ব্যাঙ্কের প্রাক্তন কর্মী সুভাষ শ্রীবাস্তব নগদ অর্থ গণনাকারী কর্মীদের দায়িত্বে ছিলেন।