ওঙ্কার ডেস্কঃ তারাতলায় গোডাউন নির্মাণের পুরো প্রকল্পের জন্যে মাত্র বরাদ্দ হয়েছিল ২ কোটি ৪০ লাখ টাকার লোহার রড। হিসাব করে দেখেছেন, এই খাতে তার থেকে অনেক বেশি টাকা বরাদ্দ করার প্রয়োজন ছিল। সেই কারণেই লোহার রড-সহ নিম্নমানের সামগ্রী নির্মাণকাজে ব্যদবহার করা হয় বলে সন্দেহ লালবাজারের ‘সিট’-এর। অল্প টাকায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করানোয় এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে তারাতলায় এখনও কত দেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে রয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ ধন্দে। লালবাজার জানিয়েছে, কত শ্রমিক কাজ করতেন, তার কোনও রেকর্ড ছিল না। রেজস্ট্রারের খাতাও মেলেনি। তাই শ্রমিকের সঠিক সংখ্যা জানার উপায়ও নেই সেভাবে।
এদিন গোয়েন্দাপ্রধান কুণাল আগরওয়াল জানান, এই গোডাউনের অনুমোদিত প্ল্যাওন পাওয়ার জন্য ‘সিট’ কলকাতা পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। শম্ভুনাথ বেহরা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যে ৩০ বছরের লিজে জমি নিয়েছিলেন, সেই নথিও দেখা হচ্ছে। বেহরা ব্রাদার্সে শম্ভুনাথের সঙ্গে তাঁর দুই ভাই ও স্ত্রীর অংশীদারত্ব রয়েছে। ক্রমে তাঁদেরও জেরা করা হতে পারে।
অন্যদিকে এই অয়ন ট্রেডার্সের সুপারভাইজার গুলজারের বিরুদ্ধে একবালপুর থানায় একটি ও ঠিকাদার আসগর হোসেনের বিরুদ্ধে দু’টি পুরনো মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩ সালে একটি মামলা ও একবালপুরে অপহরণের মামলাও রয়েছে আসগরের বিরুদ্ধে। আগে আসগর খিদিরপুরের বাবুবাজার ও হাইড রোডে পার্কিং থেকে টাকা তুলতেন। পরে প্রাক্তন মন্ত্রীর সহযোগিতায় নির্মাণের ব্যডবসায় নামেন। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় সন্দেহভাজন ও অভিযুক্তদের তালিকা তৈরি হচ্ছে।