ওঙ্কার ডেস্ক: রাম মন্দিরের অনুদান বিতর্ক মামলায় নতুন মাত্রা। অযোধ্যার এই জনপ্রিয় তীর্থস্থানের শীর্ষ পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন চম্পত রাই। নৈতিক কারণে তাঁর এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন। চম্পত রাই ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এই সংস্থা স্বাধীন ভাবে মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। সূত্রের খবর, চম্পতের সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন ট্রাস্টি অনিল মিশ্রও।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কঠোর অবস্থানের পর এবং চুরির ঘটনার তদন্তকারী সিট প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরই এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটল। ইতিমধ্যে আট অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে; যাদের মধ্যে মন্দিরের নগদ অর্থ গোনার দায়িত্বে থাকা ছয় কর্মীও রয়েছেন। অযোধ্যার ওই মন্দিরে প্রায় ৭ থেকে ৭.৫ কোটি টাকা খোয়া যাওয়ার পর দায়ের হওয়া এফআইআর-এ নাম ছিল অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পান্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে তিনু। এরা প্রত্যেকেই নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই আট জনকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
রাম মন্দিরে সংগৃহীত অনুদান চুরির ঘটনায় গত ২৫ জুন একটি এফআইআর দায়ের হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৬, ৩১৬(৫), ৩১৭(৪), ৩১৭(৫), ৬১ এবং ৩(৫)-সহ বিভিন্ন ধারায় এই মামলা নথিভুক্ত করা হয়।