ওঙ্কার ডেস্কঃ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে বুধবার বিদায় জানানো হবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। বাংলাদেশের প্রথম সারির নেতা-নেত্রী সহ, বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি খালেদার জানাজায় অংশ নেবেন। কিন্তু খালেদার বিদায় সমাবেশে আওয়ামী লিগের সদস্যরা যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, প্রশাসনে তরফে সবুজ সংকেত মেলেনি।
মঙ্গলবার খালেদার মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ্যে আসতে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দেন শেখ হাসিনা। তাঁর পুত্রও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। আওয়ামী লিগের এক নেতা জানান, তাঁদের নেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগদানের চেষ্টা করতে। ওই নেতার দাবি, প্রশাসনের শীর্ষ মহলে বার্তাটি পৌঁছে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশাসনের তরফে কিছুই জানানো হয়নি।
আওয়ামী লিগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির মত একটি প্রথম সারির দলের নেত্রীর জানাজায় আওয়ামী লিগ যোগ দেবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশাসনের সবুজ সংকেত ছাড়া সেটা নানা কারণেই সম্ভব নয়। জানাজায় অশান্তির সৃষ্টি হোক, এটা কাম্য নয়। তাই প্রশাসনকে না জানিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
বুধবার ইসলামিক রীতি মেনে জানাজা বা বিদায়কালীন প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে সমাহিত করা হবে খালেদা জিয়াকে। বিএনপি নেত্রীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিঞা এভিনিউতে। বাংলাদেশের প্রথম সারির নেতা-নেত্রীরা তো বটেই বহু বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি খালেদার জানাজায় অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, পাকিস্তানের সংসদের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভুটানের বিদেশ মন্ত্রী ডিএন ধুংগিয়েল, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত এবং নেপাল সরকারের একজন প্রতিনিধি। খালেদার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকপ্রকাশ করেছেন।
