ওঙ্কার ডেস্কঃ পদ্মাপাড়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিধন যজ্ঞ চলছেই। সোমবার, কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে দুই হিন্দু যুবক খুন হয়েছে বাংলাদেশে। সোমবার রাতে নরসিংদী জেলায় মুদি দোকানদার মনি চক্রবর্তীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই, যশোরে খুন হন আরেক হিন্দু ব্যক্তি। পেশায় আইস ফ্যাক্টরির মালিক এবং সাংবাদিক রানা প্রতাপ।
জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় কয়েকজন লোক রানা প্রতাপের ফ্যাক্টরি থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যান। স্থানীয় সূত্রে খবর, হামলাকারীরা তাঁকে একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে গুলি করে, গলার নলি কেটে দেন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতাপের মাথায় ৩ টি গুলি লেগেছে। এবং ঘটনাস্থল থেকে ৭ টি গুলির খোল উদ্ধার হয়েছে। অন্যদিকে, মনি চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডের পর আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
বাংলাদেশে একের পর এক সংখ্যালঘু হত্যা চলছেই। গত সপ্তাহে ৩১ ডিসেম্বর, মানিকগঞ্জে খোকন চন্দ্র দাসকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে মারা হয়। ওষুধ ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা করতেন তিনি। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে জ্যান্ত আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করে পুকুরে ঝাপ দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। তিনদিন পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
গত শনিবার ঝিনাইদহে এক হিন্দু বিধবা মহিলাকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। তারপর তাঁকে গাছে বেঁধে রাখা হয়। এমনকি গাছে বেঁধে চুল কেটে দেওয়া হয়। এরপর সেই ভিডিও রেকর্ড করে ছড়িয়ে দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বর্তমানে মহিলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এছাড়াও বজেন্দ্র বিশ্বাস, দীপু দাস নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা নিয়ে ভারত গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
