ওঙ্কার ডেস্ক: সোমবার ভূমিকম্পে কেঁপেছিল আসাম। মঙ্গলবার জাপান কাঁপল। জাপানের শিমানে প্রিফেকচারে মঙ্গলবার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে ভূমিকম্পের মাত্রা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে জাপান আবহাওয়া দফতর ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৩ বলে জানালেও পরে তা কমিয়ে ৪.৫ করা হয়। অপরদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার রিয়েল-টাইম ডেটায় এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৮ বলা হয়। তবে কম্পন শক্তিশালী হলেও কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জাপান আবহাওয়া দফতর জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে প্রিফেকচারের পূর্বাংশ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাপানের ১ থেকে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প-তীব্রতা স্কেলে এই কম্পন ‘আপার-৫’–এ নথিভুক্ত হয়েছে। যেটিকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
সূত্রের খবর, ২০২৪ সালের আগস্টে জাপান আবহাওয়া দফতর প্রথমবারের মতো জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দক্ষিণ উপকূলজুড়ে এক বিশেষ সতর্কতা জারি করেছিল। জানানো হয়েছিল, নানকাই ট্রফ নামে পরিচিত ৮০০ কিলোমিটার লম্বা সমুদ্রগর্ভের খাদ বরাবর বড় মাত্রার ভূমিকম্প বা ‘মেগাকোয়েক’ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এই ট্রফ অঞ্চলেই ফিলিপাইনের সমুদ্র প্লেট ধীরে ধীরে জাপানের স্থলভাগের নীচে ঢুকে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্প হলে তা ভয়াবহ সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
জাপান সরকার অনুমান করেছে, সম্ভাব্য নানকাই ট্রফ ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার মানুষের মৃত্যু এবং ২ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।