ওঙ্কার ডেস্ক: সম্প্রতি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে খুন করা হয়েছে। তার কিছু দিনের মধ্যে অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট নামের আরেক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করেছে উন্মত্ত জনতা। পরপর সংখ্যালঘুদের উপর এই হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।
শুক্রবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে কট্টরপন্থীদের হাতে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ-সহ সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবিরাম হামলা গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সকলেই বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সম্পর্কে অবগত। আমরা বিষয়টি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কী ছিল, কী হওয়া উচিত এবং কী হবে, সে বিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে অবহিত করছি।’
অন্য দিকে দীপুর খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে আরও ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮। পাশাপাশি দীপুকে পিটিয়ে খুনের সময় ঘটনাস্থলে যাঁরা ছিলেন, বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ দেখে তাঁদেরকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের তরুণ নেতা ওসমান হাদিকে গুলি করে খুন করার পর অশান্ত হয়ে ওঠে পদ্মাপাড়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মানুষ। সেই আবহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় দীপুচন্দ্র দাসকে খুন করে হিংস্র জনতা। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে তাঁকে পিটিয়ে মেরে জ্বালিয়ে দেয় উগ্রপন্থীরা।
