Skip to content
জুলাই 24, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Primary Menu
  • কলকাতা
  • পশ্চিমবঙ্গ
    • উত্তরবঙ্গ
    • বর্ধমান
    • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
    • হাওড়া ও হুগলি
    • পুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়া
    • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • নদিয়া মুর্শিদাবাদ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • সম্পাদকের পাতা
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
    • বইপত্র
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • ভ্রমন
  • পাঁচফোড়ন
  • লাইভ
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ করুন
  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অবশেষে ‘ঠাণ্ডা-লড়াইয়ে’ জয়ী হলেন ওয়াকার !

অবশেষে ‘ঠাণ্ডা-লড়াইয়ে’ জয়ী হলেন ওয়াকার !

Online Desk অক্টোবর 26, 2025
Sekh-Hasina.jpg

দিলওয়ার হোসেন কয়েছ, সাধারণ সম্পাদক : আওয়ামী লীগ, ফ্রান্স

 

‘winning a war without arms !’ সেনাবাহিনীর এই আপ্তবাক্য অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল বাংলাদেশে। বিগত সরকার পতনের ‘অন্যতম কুশিলব’ জেনারেল ওয়াকার গত পনের মাস ধরে যেভাবে বাহিনীতে তার সমর্থীত অংশ, ইন্টেরিম সরকারপ্রধানের সঙ্গে ‘শত্রু শত্রু খেলা’, গত সরকারপন্থীদের কোণঠাসা করা, র্যা ডিক্যাল ইসলামপন্থী তথা বিএনপি- জামাত- ইউনূস- এনসিপিপন্থী অংশের ভেতর যে সাউন্ডলেস ‘টাগ অব ওয়ার’ চালিয়ে আসছিলেন তাতে সর্বসাকুল্যে জয়ী হলেন। যে পদ্ধতিতে হলেন তার নাম দেওয়া যেতে পারে―’আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা’।

এক্তিয়ারবর্হিভূত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও তাদের জারিকৃত বিশেষ অর্ডিন্যান্স বলে বিগত সরকারের আমলে গুম-খুন-আয়নাঘরে নির্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়েরকৃত তিনটি মামলায় ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছিল। সেনাসদর অভিযুক্তদের আদালতে না পাঠিয়ে সেনা হেফাজতে রেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছিল তারা নিজস্ব আইনবিদের পরামর্শে ICT’র ওয়ারেন্ট চ্যালেঞ্জ করবেন। আরও ধারণা করা হচ্ছিল সেনাবাহিনীর সুনাম রক্ষার্থে অধিকাংশ সেনা কর্মকর্তাদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে ওয়াকার নিজের ‘মধ্যপন্থী’ ইমেজ ধরে রাখতে অন্তর্বর্তী প্রধানের সঙ্গে সমঝোতা করে একটা সুরাহা করবেন। তা হয়নি। নির্দিষ্ট দিনে, অর্থাৎ ২২ অক্টোবর অভিযুক্তদের ১৫জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আতদালত তাদের সকলকে সেনানিবাসের ‘সাব জেলে’ পাঠিয়েছেন। তার আগে অভিযুক্তদের চাকরি থেকেও অব্যহতি দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ এক অর্ডিন্যান্সবলে তারা এখন বরখাস্তকৃত সেনা অফিসার।

এখন প্রশ্ন, জেনারেল ওয়াকার কি এই পরিস্থিতি এড়াতে পারতেন ? উত্তর খোঁজার আগে বুঝতে হবে তিনি আদৌ এড়াতে চেয়েছেন কিনা। ঘটনাপ্রবাহ বলে, তিনি এড়াতে চাননি। অর্থাৎ তার দাবাবোর্ডের সাদা ঘোড়া আড়াই চালে কালো রাজাকে খেয়ে নিয়েছে।

তাঁকে যাঁরা নিরপেক্ষ, লীগের প্রতি সফট, শেখ হাসিনাকে সেফ একজিট দিয়েছেন, ইন্টেরিমের ‘ব্লাডি’ করিডোর দেওয়ার বিরোধীতা করেছেন, ডিসেম্বরেই নির্বাচন চেয়েছিলেন, একাধিক বিচারকসহ লীগের শীর্ষ নেতাদের সেফ একজিট দিয়েছেন, একাধিকবার ভারতের সেনা প্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ নিয়েছেন, তারা এবার পয়সার উল্টো পিঠ দেখে নিতে পারেন।

  •  ৫ আগস্ট কার্ফিউ ব্রেক করে গণভাবন ঘিরে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে উদ্যত জনরোষ প্রতিহত করতে আদেশ দেননি ওয়াকার। বরং ব্যারিকেড খুলে এনএসএফ সরিয়ে নেন।
  •  ৩ আগস্ট বলে দেন- ‘সেনারা ছাত্রদের ওপর গুলি চালাবে না’। ৪ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন―’আমার ওপর আস্থা রাখুন, কিছুই হবে না, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো, আপনার সুরক্ষার দায়িত্ব আমার জিম্মায়। ‘
  •  ভারতের এন এস এ অজিত দোভাল ও সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদীর ফোন পেয়ে সেনারা যখন শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করছেন, তখন তিনি জামাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।
  •  ৫ আগস্ট তিনি ঘোষণা করে জাতির দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে সবার আগে ডাকলেন জামাতকে, ভাষণেও জামাতের নাম আগে বললেন। অভ্যেসবশত ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ বলে পরক্ষণেই সংশোধন করে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ বললেন।
  •  ৮ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসকে বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রিসিভ করলেন। প্রেসিডেন্টকে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের যাবতীয় ফর্মালিটিজ সম্পন্ন করলেন। ইউনূসের ব্যক্তিগত পছন্দের লোকজন নিয়ে গড়া সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে ইউনূসের পক্ষ নিলেন। তার পর থেকে সরকারের সকল কাজের সমর্থন দিলেন।
  •  ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার থাকার পরও তাঁর চোখের সামনে দেশে চলল অভূতপূর্ব নৈরাজ্য। সারা দেশে লীগসহ ১৪ দলের নেতা-কর্মীদের হত্যা-জখম-গ্রেফতার-জেল-জুলুম চলল। ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে সারা দেশের মুক্তিযুদ্ধের, স্বাধীনতার, সেক্যুলারিজমের প্রতীক সকল ভাস্কর্য-ম্যুরাল-মূর্তি-অবকাঠামো ধ্বংস করায় কোনও বাঁধা দিলেনই না, কোথাও কোথাও সেনা সদস্যরাও এসব ভাঙচুরে সামিল হলেন। তিনি নির্বিকার।
  •  ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাদের সামনে এক ভাষণে ‘আই হ্যাড এনাফ ইজ এনাফ’ বলে জাতির বিবেকের ভূমিকা নিলেন। এরই মধ্যে ইউনূস সরকার ও এনসিপি তাঁকে এবং প্রেসিডেন্টকে একাধিকবার সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও তিনি নির্বিকার। তিনি রাশিয়া সফরকালিন ইউনূস খলিলুর রহমানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্ট’ নিয়োগ দিলেন। যার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট-‘ওয়াকারকে সরিয়ে দেওয়া’। এরই উপাদান হিসাবে এনসিপি ও এবি পার্টির নেতা তাঁকে বিশ্রীভাষায় কটুক্তি করল, তিনি অসীম ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে নীরব থাকলেন।
  •  যমুনাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূসের দফায় দফায় বৈঠক হল। জামাত নেতারা ছুটলেন সেনাপ্রধানের ডাকে সেখানে বৈঠক করতে। বৈঠকের খবর প্রকাশ হল না দুই দিনেও। ইউনূসের ‘পদত্যাগ নাটক’ শেষ হলে ওয়াকার ২২ মে আল্টিমেটাম দিয়ে মনে করলেন ‘ডোজটা কি কড়া হয়ে গেল !’ তাই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে জামাতের সঙ্গে বৈঠক করলেন। আইন করে আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সচিব-কর্মকর্তাদের খেদিয়ে ছাত্রদের মধ্য থেকে কর্মকর্তা নিয়োগ, লীগ আমলের চাকরিতে যোগ দেওয়া সেনা কর্তাদের চাকরিচ্যুতি, জামাতের নেতা এটিএম আজাহার বিশেষ আদালতে ফাঁসির দণ্ড মকুফ এবং বেকসুর খালাস; তিনি কিন্তু নির্বিকার।

মুহাম্মদ ইউনূস আমেরিকান ডিপস্টেটের মনোনীত ‘পাপেট’। ডিপস্টেট ওয়াকারের সমর্থন ছাড়া একজন সিভিলিয়ানকে ক্ষমতায় বসাতে পারে না। সুতরাং ইউনূসকে বসানো, তাঁকে দিয়ে ডিপস্টেটের পারপার্স সার্ভ করার সকল প্ল্যানে ওয়াকারও ‘তাদের লোক’। ইউনূস-ওয়াকার দ্বন্দ্ব দৃশ্যমান দেখালেও দিন শেষে বৈরীতা নেই। ইউনূস ভারতকে খুঁচিয়ে পাবলিক সেন্টিমেন্ট উসকে দিয়ে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের কার্ড খেলে নির্বাচন অনিশ্চিত করে ডিপস্টেটের অসমাপ্ত কাজগুলো করবেন। সেটাকে ‘কাভারআপ’ করবেন ওয়াকার ভারতকে আস্থায় রেখে, ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে সুসম্পর্ক ধরে রেখে। কার্যত দুজনের স্বার্থ এক এবং অভিন্ন। দুজনেই ডিপস্টেটের প্রিয়পাত্র।

ওয়াকার বহুবার বলেছেন, ‘তাঁর কোনও রাজনৈতিক অভিলাষ নেই’। এই কথাটি বারে বারে প্রচার করার মানে হল অবশ্যই উচ্চাভিলাষ আছে। ধরা যাক, ২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হল না। দেশে একটা গৃহযুদ্ধের সিচ্যুয়েশন তৈরি হল। সব কিছু পিছিয়ে গেল অনির্দিষ্টকাল। ইতিমধ্যে ২০২৭ সালের ২২ জুন ওয়াকারের সেনাপ্রধানের মেয়াদ শেষ হবে। তখন তিনি ইউনূস ও এনসিপি মিলে বিএনপি-জামাতের পর তৃতীয় বৃহত্তম দল গড়লেন। হতে পারে না ? রাজনীতিতে শেষ বলে এবং ভ্যাকিউম বলে কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার থাকাকালিনই তিনি রাজনীতির হাতি-ঘোড়া, উজির-নাজির সব্বাইকে দেখেছেন। তাতে করে এই সম্ভবনাটি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

দেশপ্রেম, দেশ রক্ষার শপথ, স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, এসব আবেগমিশ্রীত ব্যুরোক্র্যাটিক টুলস মাত্র। টাকা এবং ক্ষমতার পাল্লায় এসব মূল্যহীন। হিউম্যান ফিলোসফির অন্যতম কাঙ্খিত লক্ষ্যটির নাম-ক্ষমতা। সেটা যদি রাষ্ট্রক্ষমতা হয় তাহলে এর সঙ্গে অন্য কোনোকিছুর তুলনা চলে না। ‘পাকিস্তানের আদলে’ গড়ে ওঠা বাংলাদেশের সেনাবাহনীর শীর্ষ কর্তারা যে রাষ্ট্রক্ষমতা প্রত্যাশী সেটা এদেশে অনেকবার প্রমাণিত। রাজনীতি ‘অ’-‘আ’ পড়তে পারা মানুষও জানেন জেনারেল ওয়াকার সমর্থন তুলে নিলে মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার এক মুহূর্তও টিকবে না।

১৫ সেনা অফিসারদের জেলে পাঠানোর পরের ঘটনাবলি সম্পর্কে এখনই অনুমান করা যাবে না। তবে ইন্টেরিম যেমনটা সাজিয়ে রেখেছে সব সেভাবেই ঘটবে মনে করার কারণ নেই।
প্রথমত : যে সাত র্যা ব সদস্যের শাস্তির রেফারেন্স টানা হচ্ছে তাদের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত ছিল। এখন অভিযুক্তদের যে অপরাধে জেলে দেওয়া হল সেই একই অপরাধে ২০০৪ সালে গঠিত র্যা ব-এর এক্সট্রা জ্যুডিশিয়াল কিলিং, অপারেশন ‘ক্লিনহার্ট’, ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত RAB, DGFI, SB, DB, তথাকথিত ‘বাংলাভাই’কে সমর্থন দেয়া সেনা-পুলিশ কর্মকর্তারাও কেন অপরাধী হবেন না সেই প্রশ্ন উঠবে না কেন ? চাকরিরত অবস্থায় শপথ ভঙ্গ করে বিগত সরকারবিরোধীতাও কেন অপরাধ বিবেচিত হবে না ? ২০২৪ জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলির কারণে সেনা কর্তারা দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের কমান্ডিং অফিসার হিসাবে সেনাপ্রধান কেন অভিযুক্ত হলেন না ? কোনোভাবে বিগত সরকার একজিস্ট করলে একজিস্টিং সরকারের বিপক্ষে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ নেওয়ায় বরং ওয়াকার পদ হারাতে পারতেন।

দেশের ইতিহাসে ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগ প্রথমবারের মত শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। এটা ছাড়া দেশে যতোবার সরকার বদল হয়েছে, তার সবগুলো ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী জড়িত ছিল, যা সংবিধানের ৭ম সংশোধনীবলে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ। ইতিহাসের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রাপ্ত জীবন-যাপন করলেও কখনও জনগণের পক্ষে কাজ করেনি। ধর্মাশ্রয়ী কূপমণ্ডূকতা, সেনা কালচার ছাপিয়ে ধর্মবিশ্বাসের চর্চা করা ‘দুধের মাছি’ এই সেনাবাহিনীর হাতে দুজন রাষ্ট্রপ্রধানসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সাধারণ জনগণকে প্রাণ দিতে হয়েছে। এমন একটা বাহিনীর একাংশকে নিজেদের জিঘাংসা মেটানোর জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে একইরকম অপরাধ আমলে না নেওয়া আইনের ব্যত্যয়।

১৫ সেনা কর্মকর্তাদের জেলে নেওয়ার পরবর্তীতে সেনানিবাসে কী ঘটতে পারে সেটা জনগণ অনুমান করতে পারবে না, তবে সাধারণভাবে অনুমান করা যায় দেশরক্ষা বাহিনীর ভেতর দেশের প্রতি, চেইন অব কমান্ডের প্রতি যতটুকু কমিটমেন্ট ছিল তাতে চিড় ধরবে। গত পনের মাসে নিখুঁত ছক কষে সেনাবাহিনীকে দলাদলিতে লিপ্ত করিয়ে দুর্বল ও বিশৃঙ্খল করা হয়েছে। এবার সেনা-পুলিশ কর্মকর্তাদের জেলে ঢুকিয়ে কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকা হল। এর উদ্দেশ্য যদি ‘দেশ রক্ষার বিশেষ মিলিশিয়া বাহিনী’ গঠন করা হয় (যা প্রায়শই কয়েকজন উপদেষ্টা বলেন) তাহলে বুঝে নিতে হবে দেশের সামনে ঘোরতর দুর্বিপাক ঘনিয়ে আসছে। যা বাংলাদেশকে ইরাক-সিরিয়া-লিবিয়ার চেয়েও ভয়াবহ রুয়ান্ডার কাতারে নিয়ে ফেলবে, এবং বিদ্যমান দলগুলোর পক্ষে দেশ বাঁচানো সম্ভব হবে না, কেননা তারাই এসবের হোতা।

Post Views: 244

Continue Reading

Previous: রুদ্রপ্রয়াগে ভারী বৃষ্টিপাতের ২ মাস পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার নিখোঁজ ৭ জনের দেহ
Next: সালমান খানকে সন্ত্রাসবাদী তকমা ইসলামাবাদের; বালুচিস্তানকে স্বাধীন রাষ্ট্র বলায় পাকিস্তানে ব্যান ভাইজান

সম্পর্কিত গল্প

jk-police.jpg

অনন্তনাগে পুলিশকর্মীকে হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লস্করের দুই জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

Online Desk জুলাই 23, 2026
SANSAD.jpg

সংসদে হট্টগোল, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা ছাড়া আলোচনা নয়, প্রস্তাব ফেরাল বিরোধীরা

Online Desk জুলাই 23, 2026
MAMATA.jpg

একুশের সভায় কালীঘাট তৃণমূলের আদালত অবমাননার অভিযোগ, মামলা দায়ের

Online Desk জুলাই 23, 2026

You may have missed

Bangaluru.jpg

ব্যাঙ্গালুরুতে চাঞ্চল্যকর সিরিয়াল খুন ! বিষ প্রয়োগ ও মৃতদেহ পোড়ানোর উপায় খুঁজতে AI-র সাহায্য নেয় অপরাধী

Online Desk জুলাই 23, 2026
Darby.jpg

ডার্বিতে বহাল থাকছে টিকিটের পুরোনো নিয়মই

Online Desk জুলাই 23, 2026
Durand.jpg

ডুরান্ড কাপে টিকিট নিয়ে সমর্থকদের ভোগান্তি কমাল রাজ্য সরকার

Online Desk জুলাই 23, 2026
death.jpg

যৌতুক না পেয়ে বধূকে বিষ খাইয়ে খুন! উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ ঘটনা

Online Desk জুলাই 23, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.