ওঙ্কার ডেস্কঃ বিএনপি নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু বাংলাদেশের। ঢাকা ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক রাজকীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে নির্বাহী ক্ষমতা গ্রহণ করবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকার।
দীর্ঘ দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাবর্তন করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই শপথ অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দেশের সংবিধান রক্ষা ও জনসেবার শপথ নেন।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেল ৪টের সময় প্রধানমন্ত্রী শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং তাঁর মন্ত্রিসভার প্রাথমিক সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশ বিদেশের বিশিষ্ট অতিথিরা। প্রথাগত বঙ্গভবনের পরিবর্তে এবার অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। কারণ, বিশাল জনসমাগম এবং ১২০০-এর বেশি দেশি-বিদেশি অতিথির জায়গা করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ভারত থেকে উপস্থিত থাকছেন স্পিকার ওম বিড়লা। উপস্থিত থাকবেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের বিদেশমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা, ব্রিটেনের ইন্দো-প্যাসিফিক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।
অন্যদিকে সোমবার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন শেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিদায়ী ভাষণে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি। বিদায়বেলায় তিনি শেখ হাসিনার পতনকে ‘মহমুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ। তিনি তাঁর ভাষণে নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি গণতন্ত্রের পথে অবিচল থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
