ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ঘিরে নানা জল্পনা চললেও শেষ পর্যন্ত কোনও চমক না রেখে পুরনো নেতৃত্বকেই ভরসা করল এনডিএ শিবির। ২৪৩ সদস্যের বিধানসভায় ২০০-রও বেশি আসন পেয়ে রেকর্ড ম্যান্ডেট পাওয়ার পর জোটের দুই প্রধান দল, বিজেপি ও জেডিইউ বুধবার নিজেদের বিধানসভা দলে পুরনো নেতৃত্বকেই পুনর্বহাল করল।
জেডিইউ-এর ৮৫ বিধায়ক এদিন সর্বসম্মতিক্রমে নীতীশ কুমারকেই বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচন করেন। অন্যদিকে ৮৯ বিধায়কের দল বিজেপি নির্বাচিত করেছে সম্রাট চৌধুরীকে বিধানসভায় দলনেতা এবং বিজয় কুমার সিনহাকে উপনেতা হিসেবে। বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কেশব প্রসাদ মৌর্য জানিয়েছেন, দুই নেতার নাম সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে এবং তাদের নেতৃত্বে পরবর্তী সরকার স্থিতিশীল হবে বলেই দলের বিশ্বাস। তাঁর কথায়, “সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহার জুটি একদিকে উপযুক্ত, অন্যদিকে সফল।”
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের সরকারের মতোই সম্রাট চৌধুরী এবং বিজয় কুমার সিনহা দু’জনেই উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বহাল থাকছেন বলে দলের মধ্যে জোর জল্পনা ছিল। বুধবার বিকেল তিনটের দিকে এনডিএ বিধানসভা দলের বৈঠকে নীতীশকে এনডিএ-র নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হবে বলেই সূত্রের খবর।
জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব বদল না হওয়ার ফলে নতুন সরকারের ক্ষেত্রে কোনও নাটকীয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই রাজনৈতিক মহলে মত। প্রাথমিকভাবে সূত্রের দাবি, নতুন মন্ত্রিসভায় জেডিইউ ও বিজেপি উভয় দলেরই ১৫ জন করে মন্ত্রী থাকবেন। এছাড়া চিরাগ পাশওয়ানের এলজেপি-র দুই সদস্য এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহার আরএলএম ও জিতনরাম মাঞ্জির এইচএএম(এস)-এর এক সদস্য করে জায়গা পেতে পারেন মন্ত্রিসভায়।
বিকেলের মধ্যেই নীতীশ কুমার রাজভবনে গিয়ে গভর্নর আরিফ মহম্মদ খানের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে জানা গেছে। এরপরই শুরু হবে নতুন সরকার গঠনের কাজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
