ওঙ্কার ডেস্ক: একটা নয়, পরপর তিনটে বিয়ে করেছেন। তাও আবার পূর্ববর্তী স্ত্রীদের ডিভোর্স না দিয়ে! শুধু তাই নয়, পণের দাবিতে স্ত্রীদের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও রয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম পিন্টু বার্নওয়াল। তিনি বিহারের গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিন্টুর প্রথম এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই মহিলারা তাঁর বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং পণের দাবির অভিযোগ এনেছে। যদিও তাঁর স্ত্রীদের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পিন্টু। তাঁর দাবি, যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা হয়েছে, তা মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে তিন মহিলাকে বিয়ের কথা মেনে নিয়েছেন পিন্টু। তাঁর দাবি, তিনি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছেন। পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে পূর্বের স্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক চালিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পিন্টুর সাফাই, ‘আমার মায়ের বয়স ৬০ বছর। তাঁদের কেউই দুই দিনের জন্য খাবার রান্না করেনি। উল্টে আমি এবং আমার মা তাদের খাওয়াই।’
পুলিশ জানিয়েছে, পিন্টুর স্ত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে তোলার পর পিন্টুকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পিন্টুর প্রথম স্ত্রীর নাম খুশবু। তাঁর সম্পর্কে পিন্টু অভিযোগ করেন, খুশবু ছুরি দিয়ে খুনের চেষ্টা করেছিল। আমার মা এবং আমাকে—- দুজনকেই হত্যার চেষ্টা করেছিল। পিন্টু আরও অভিযোগ করেন, খুশবুর সঙ্গে তাঁর ১০ বছর বয়সের পার্থক্য ছিল। তাঁর সঙ্গে কোনও শারীরিক সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। সে কারণে এফআইআর-এ উল্লেখিত ধর্ষণের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে দাবি করেন পিন্টু। মায়ের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে তিনি তৃতীয় বিয়ে করেছেন বলে পুলিশি জেরায় জানিয়েছেন পিন্টু।
