ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির একাধিক নীচুতলার নেতা তোলাবাজি করছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছিল। এই ধরণের ঘটনার ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করল পদ্ম শিবির। ইতিমধ্যে ৩০ জনকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কাটমানি বা সিন্ডিকেট সংক্রান্ত কার্যকলাপে জড়িত থাকলে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে আগেই চেতাবনি দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
বিজেপি সূত্রে খবর, দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তোলাবাজি-কাটমানি সংক্রান্ত অভিযোগে দল থেকে ৩০ জনের বেশি নেতা কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, তোলাবাজিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে দল। তোলাবাজির প্রমাণ মিললে দল ছেড়ে কথা বলবে না নেতৃত্ব। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষও তোলাবাজির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। অগ্নিমিত্রা পালও বলেন, ‘রাজ্য সভাপতি আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত থাকলে সরাসরি দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সবাইকে ওয়াশিং মেশিনে ধুয়ে দলে নেওয়া হয়নি। সরকারে আসার পর কেউ যদি এই উপায়ে টাকা রোজগারের কথা ভাবেন, তা ভুল করবেন।’
বিজেপির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি শো কজ চিঠি ধরিয়েছিল ২০০ জনেরও বেশি নেতাকর্মীকে। এই তালিকায় তোলাবাজি বা কাটমানি সংক্রান্ত অভিযোগ যেমন ছিল তেমন ছিল শৃঙ্খলাভঙ্গ, নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য, অন্য দলের অফিস দখল করা। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার প্রথম তিন সপ্তাহেই ৫০ জনকে শো কজ করেছিলেন শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রধান প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।