ওঙ্কার ডেস্ক: ডাক্তারের মানবিক মুখ দেখল উত্তরবঙ্গের নাগরাকাটা। ধস বিধ্বস্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে প্রতিকুল পরিবেশে অন্তঃসত্ত্বাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ায় নাগরাকাটার বিএমওএইচ ইরফান হোসেনকে নিয়ে চলছে চর্চা। অনেকে তাঁর প্রশংসা করছেন, তবে তাতে বিচলিত নন ওই চিকিৎসক। তাঁর দাবি, তিনি কর্তব্য পালন করেছেন কেবলমাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাগরাকাটার বিএমওএইচ হিসেবে কর্মরত ইরফান হোসেন। নাগরাকাটার খেরকাটা গ্রামে মঙ্গলবার রাতের অন্ধকারে তিনি অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন। তাঁর সঙ্গে ছিল ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের টিম। দুর্যোগ কবলিত এলাকায় আচমকা প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয় ২০ বছর বয়সী শিলা খারিয়ার। ক্রমে তা বাড়তে থাকে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দরকার হয়। ব্লক স্বাস্থ্য দফতরে সেই খবর পৌঁছতেই টিম নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়েন ইরফান হোসেন। গভীর রাতে সিভিল ডিফেন্সের নৌকাতে চেপে নদী পার হন ইরফান হোসেন, কৃষ্ণেন্দু সরকার, মুন্না হক।
অন্ধকারে মোবাইলের আলো জ্বেলে গ্রামের দিকে যান ইরুফানরা। শিলাকে নৌকাতে চাপিয়ে নদী পার করে আনা হয়। অ্যাম্বুল্যান্সে প্রথমে নাগরাকাটা শুলকাপাড়া হাসপাতাল এবং পরে মালবাজার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ভর্তি করা হয়েছে সন্তানসম্ভবা ওই মহিলাকে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে দুর্যোগ কবলিত নাগরাকাটায় তৎপরতার সঙ্গে ইরফান যে ভাবে কাজ করেছেন তার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা।
