ওঙ্কার ডেস্কঃ ফের হামলা ভেনেজুলেয়ার রাজধানী কারাকাসে। প্রেসিডেন্টের গ্রেফতারির পর ফের সোমবার রাতে হামলা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের পাশেই প্রায় ২০ মিনিট ধরে গোলাগুলি চলে। প্রেসিডেন্ট গ্রেফতারির পরও কেন হামলা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। কেউ বলছেন কট্টরপন্থীদের অভ্যুত্থানের চেষ্টা হচ্ছে। আবার কারোর মত, আমেরিকার শক্তি প্রদর্শন। তবে এই হামলায় হতাহতের কোনও খবর নেই।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেসকে রবিবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়েছিলেন, কথা না শুনলে বড় মূল্য চোকাতে হবে। তারপর সুর নরম করেন ডেলসি। টেলিগ্রামে দু’টি বাক্যে জানান, আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতার কথা। যদিও তিনি একদিকে মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা করছেন। এই দ্বৈত সুরই চাভেসপন্থী কট্টরপন্থীদের ক্ষুব্ধ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যেই বিভিন্ন কোণ থেকে ‘কো লেক্তিভো’ নামের সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে ওঠার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। তবে গোলাগুলির জন্য তাঁদের দায়ী করে, এখনও কোনও সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে। তাঁর গ্রেফতারির পরই দেশের নেতৃত্ব নিয়ে সংকট তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ৯০ দিনের জন্য ডেলসি রদ্রিগেজকে দায়িত্ব দেয়। তবে সোমবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় আপাতত কোনও ভোট হবে না। বকলমে ওই দেশকে চালাবে আমেরিকা, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সব মিলিয়ে কারাকাসে জটিল পরিস্থিতি।
