জোড়া আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রও নির্বাচন কমিশন
গান্ধী জয়ন্তীতে সিজন-২ কর্মসূচি নিয়ে পথে নামলো ককরোচ জনতা পার্টি। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার নামে তারা ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই আন্দোলন চালিয়ে যাবে, এমনটাই জানিয়েছেন সিজেপি সুপ্রিমো অভিজিৎ দীপকে। যার প্রধান ও অবশ্যম্ভাবী দাবি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার গুপ্তার পদত্যাগ। যে ভাবে তারা যন্তর মন্তরে শিক্ষা দুর্নীতি দূর করতে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়েছিল, এক্ষেত্রেও সেরকমই জ্ঞানেশের পদত্যাগকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের ‘বে-আইনি ও অনৈতিক’ কার্যকলাপ রুখে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কলুষ মুক্ত করার ডাক দিয়েছে। যদিও, একই ইস্যুতে দেশের বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ আন্দোলনে নামার যে কর্মসূচি নিয়েছে তাতে ককরোচ জনতা পার্টি যুক্ত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ ককরোচ চাইছে রাজনীতির মধ্যে না ঢুকে সাধারণ মানুষের স্বার্থে লড়াই করতে। এই লক্ষ্যে শুক্রবার থেকে তারা লাগাতার আন্দোলনে নামছে। মুম্বাইয়ের দাদারে শিবাজী পার্ক থেকে এই আন্দোলনের সূচনা। পরে তা দিল্লি সহ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে ফের রাজধানী উত্তপ্ত হতে চলেছে তার ইংগিত ইতিমধ্যে মিলেছে। কিন্তু ককরোচ ও ইন্ডিয়া জোটের কর্মসূচি ও দাবিদাওয়া একই ধারায় বইলেও আগামীদিনে এদের তালমিল ঘটবে কিনা তার জন্য অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে। এবং তা যদি হয়, অথবা তা নাহলেও সমান্তরাল ভাবে একই দাবিতে যদি দেশ জুড়ে আন্দোলন চলে তাহলে তার উচ্চতা কোন জায়গায় পৌঁছুবে তার বলার সময় এখনও আসেনি। ২ তারিখ থেকে ককরোচ পথে নামলেও, বিরোধীরা এই আন্দোলন শুরু করছে আগামী ৬ অক্টোবর থেকে। সুতরাং এই দুই সম্মিলিত শক্তিকে কী ভাবে সামাল দেবে শাসক বিজেপি সেটাই এখন দেখার বিষয়। বিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এর মোকাবিলায় কেন্দ্র কী কৌশল নেয় তা নিয়েও কৌতুহল থাকছে। তবে ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফে যে সব সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে তাতে যে কমিশন ও কেন্দ্রে উভয়েই নড়েচড়ে বসেছে তা বলাইবাহুল্য।