ওঙ্কার ডেস্ক: দিল্লির কৃষ্ণনগর এলাকার একটি স্কুলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল ১৯ বছরের এক ছাত্রীর। তিনি দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সর্বোদয় কন্যা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষীর ঘরের পিছন থেকে ছাত্রীর দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ওই ছাত্রী নিজের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তে নেমে ছাত্রীর স্কুলব্যাগ থেকে তিনটি নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিক্ষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যাগ থেকে আরও কিছু সন্দেহজনক সামগ্রীও পাওয়া গিয়েছে। তবে সেগুলি কী ধরনের সামগ্রী, তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রাথমিক তদন্তে ব্যক্তিগত সম্পর্কের একটি দিকও সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই সম্পর্কের সঙ্গে মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পিছনে কী কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ছাত্রীর দিদি জানিয়েছেন, হাসিমুখেই স্কুলে গিয়েছিলেন তাঁর বোন। তাঁকে বেশ খুশি দেখাচ্ছিল। পরে কী ঘটেছিল, তা বুঝতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। ছাত্রীর দিদির কথায়, “আমি জানি না কী হয়েছিল। দুপুর প্রায় ১টা ৪০ মিনিটে স্কুল থেকে আমাদের ফোন করা হয়।”
ঘটনার খবর পেয়ে স্কুলে পৌঁছয় পুলিশের টিম।ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নমুনা ও প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার বিভিন্ন দিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে। এই ঘটনায় স্কুলের শিক্ষক, পড়ুয়াদের মধ্যে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।