ওঙ্কার ডেস্ক: পণের দাবিতে মারধর করে খুয়ন করা হয়েছে সোয়াট কম্যান্ডো কাজলকে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। খুনের আগে কাজলের স্বামী শ্যালককে ফোন করে বোনের আর্তনাদ শোনান। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত ফোনে বলেন, ‘কল রেকর্ড কর, তোর বোনকে মেরে ফেলছি।’
দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের সঙ্গে যুক্ত কাজল চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন। মোহন গার্ডেনে তাঁর বাড়িতে তাঁকে মেরে ফেলেন স্বামী অঙ্কুর। কাজলের ভাই নিখিল বলেন, ‘সে আমাকে কল রেকর্ড করতে বলেছিল। বলেছিল পুলিশের কাছে এটা প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে; আমাকে বলেছিল কাজলকে সে মেরে ফেলছে। তারপরে, আমি চিৎকার শুনতে পাই।’ উল্লেখ্য কাজলের স্বামী অঙ্কুর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একজন কেরানি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২২ জানুয়ারি কাজলকে মারধর করা হলেও পাঁচ দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন। গত ২৭ জানুয়ারি গাজিয়াবাদের একটি হাসপাতালে মারা যান।
সংবাদ সংস্থাকে নিখিল বলেন, ‘অঙ্কুর ফোন করে আমাকে বলে তোমার বোনকে বোঝাও। আমি তাকে শান্ত হতে বলি এবং তৎক্ষণাৎ আমার বোনকে ফোন করি।’ ‘কী ঘটছে সে সম্পর্কে খুব বেশি কিছু বলত না আমার বোন, কিন্তু সেদিন তাঁর যন্ত্রণার কথা বলছিল। আমরা যখন কথা বলছিলাম, তখন অঙ্কুর রেগে গিয়ে ফোন কেড়ে নেয়।’ অভিযোগ, সেই কথোপকথনের মাঝে অঙ্কুর নিখিলকে বলেন কল রেকর্ড করে রাখতে। তাঁর কথায়, ‘সে আমাকে বলে, এই কলটি রেকর্ডিংয়ে রাখ, এটি পুলিশের প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে। আমি তোর বোনকে হত্যা করছি। পুলিশ কিছুই করতে পারবে না। তারপর আমি তার চিৎকার শুনতে পাই। আচমকা ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়।’
