ওঙ্কার ডেস্ক: দেশজুড়ে ভারতের ৭৬তম সংবিধান দিবস পালিত হচ্ছে বুধবার। এদিন দিল্লিতে সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে সংবিধান দিবস উপলক্ষে ভাষণ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।
১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে সেই বিশেষ দিনের ৭৬ বছর পূর্ণ হল বুধবার ২৬ নভেম্বর। যদিও সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছিল ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি। তাই এই বিশেষ দিনে ভারতের সাংবিধানিক মূল্যবোধের স্মরণ করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বুধবার সংবিধান দিবস উপলক্ষে সেন্ট্রাল হলে ভাষণ দেন। বিআর আম্বেদকরকে স্মরণ করার পাশাপাশি তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারত বহু দেশের কাছে দৃষ্ঠান্ত।
উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণ এদিন বলেন, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। তবে খুব শীঘ্রই তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধান দিবস উপলক্ষে সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানান দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমাজ মাধ্যমে মোদী লিখেছেন, ‘সংবিধান দিবসে, আমরা আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দূরদর্শিতা আমাদেরকে একটি উন্নত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। আমাদের সংবিধান মানবিক মর্যাদা, সাম্য এবং স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। এটি আমাদের অধিকার দিয়েছে, একই সঙ্গে এটি নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্যের কথাও মনে করিয়ে দেয়, যা আমাদের সর্বদা পালন করার চেষ্টা করা উচিত। এই কর্তব্যগুলি একটি শক্তিশালী গণতন্ত্রের ভিত্তি। আসুন আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে সাংবিধানিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করি।’ উল্লেখ্য, ২৬ নভেম্বর গোটা দেশ এই বিশেষ অর্জন উদযাপন করছে। সাংবিধানিক চেতনা, এর ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের মূল নীতিগুলিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
