ওঙ্কার ডেস্ক : ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৭ ঘন্টার পর স্বাভাবিক হল ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়ান চলাচল। শনিবার দুপুর ২ টোর পর এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন্ধ ছিল সমস্ত বিমান চলাচল। হঠাৎ এই ধরনের ঘটনা ঘটার কারণ খতিয়ে দেখছে তদন্ত কমিটি ।
শনিবার হঠাৎই আগুন লাগে বিমান বন্দরের কার্গো ভিলেজে। এখানেই আমদানি রপ্তানির নানান পণ্য মজুদ থাকে। সেখানেই হঠাৎ আগুন লাগলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বিমান বন্দর চত্তরে। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করে দেওয়া হয় গোটা এলাকা। তৎক্ষণাৎ সমস্ত রকম বিমান পরিষেবা বন্ধ করা হয়। প্রায় ৩৭ টি দমকল ইঞ্জিন, সেনাবাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রমে ৬ ঘণ্টা পর আগুন আয়ত্তে আসে। আগুন নেবাতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ জন কর্মী। বিমান বন্দরে কিভাবে এত ভয়ানক লাগল তা যাচাই করার জন্য ৬ জনের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচদিনের দিনের মধ্যে সমস্ত বিবরণ জানাতে হবে এই তদন্ত কমিটিকে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুনরায় বিমান পরিষেবা চালু করা হয়। ফ্লাই দুবাই বিমান নামে শনিবার রাত ৯ টার পরে। তারপর থেকে আগের মত স্বাভাবিক ভাবে বিমান ওঠানামা শুরু করা হয়। এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি এত বড়ো দুর্ঘটনা কী ভাবে ঘটলো।
তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া অসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।
জানা গিয়েছে, এই কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, কারা দায়ী – এইসব বিষয় খতিয়ে দেখবে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কি কি প্রয়োজন তার সুপারিশ করবে। আগামী পাঁচদিনের মধ্যে এই কমিটি বিমান বন্দরের সিইওর কাছে রিপোর্ট জমা দেবে।
