নিজস্ব প্রতিনিধি, ওঙ্কার বাংলা: দিঘায় জাঁকজমক করে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা। শুক্রবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ রথের রশিতে টান পড়বে। উপস্থিত থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রথযাত্রায় সামিল হয়েছেন বহু মানুষ। সৈকত নগরী দিঘায় রথ উপলক্ষে কার্যত জনসমুদ্র তৈরি হয়েছে। ভিড় সামাল দিতে দিঘায় মোতায়েন করা হয়েছে কলকাতা পুলিশকে। কারণ প্রতি বছর কলকাতা শহরে দুর্গাপুজোর ভিড় সামলানোর যে অভিজ্ঞতা কলকাতা পুলিশের রয়েছে। জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের পর প্রথম রথযাত্রা উপলক্ষে কলকাতা পুলিশের সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে মমতা সরকার।
শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনার তৈরি ঝাঁটা দিয়ে রাস্তা ঝাঁট দেবেন। যে ভাবে পুরীতে স্বর্ণঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করার পর এগোয় রথ। সেই আদলে দিঘায় ঝাঁট দেবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। দিঘার রথ পরিচালনার জন্য উপস্থিত রয়েছেন ইস্কন কলকাতার সহ-সভাপতি রাধারমন দাসও। বৃহস্পতিবার জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে ৫৬ ভোগ অর্পণ করা হয়েছে। ওই দিন থেকেই পুজো পাঠ শুরু হয়ে গিয়েছে। রথে জগন্নাথের জন্য থাকছে মিষ্টি, গজা, ড্রাই ফ্রুটস। মাসির বাড়িতে থাকছে ৫৬ ভোগের আয়োজন।
অন্য দিকে রথযাত্রা উপলক্ষে সমস্ত মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সমাজ মাধ্যমে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান লিখেছেন, ‘জয় জগন্নাথ, জয় জগন্নাথ, জয় জগন্নাথ, জয় হে … সকলকে জানাই রথযাত্রার অগ্রিম আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। প্রার্থনা করি, প্রভু জগন্নাথের কৃপায় সকলের জীবন মঙ্গলময় হয়ে উঠুক। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমরা এবার দিঘার জগন্নাথ ধামেও রথযাত্রা শুরু করছি। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মানুষ এতে অংশ নেবেন। আমিও এবার দিঘাতেই সকল মানুষের সাথে মিশে রথের রশি টানবো। এছাড়া সারা বাংলা জুড়েই আগামিকাল ভক্তিভরে রথযাত্রা পালিত হবে। সেখানেও বাংলার সব ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেবেন। আমরা বিশ্বাস করি, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”। আমি সকলকে আরও একবার অগ্রিম শুভ রথযাত্রার অভিনন্দন জানাই।’
