ওঙ্কার ডেস্ক: কূটনৈতিক ভাবে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত করে পাঠানোর বিষয়ে। এবার আনুষ্ঠানিক ভাবে তা ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনার হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তিনি দায়িত্ব নেবেন বলে জানিয়েছে মোদী সরকার।
দীনেশ ত্রিবেদীর আগেই দায়িত্বে ছিলেন কূটনীতিক প্রণয় বর্মা। কিন্তু প্রণয়ের পর এই পদে কোনও কূটনীতিককে না বেছে নিয়ে রাজনীতিবিদকে বেছে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শেখ হাসিনা জমানার অবসানের পর মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। পরে বিএনপি বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসার পর সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন খালেদা পুত্র তারেক রহমান। তারেক জমানায় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক পুনরায় মসৃণ করতে তৎপর উভয় পক্ষ।
উল্লেখ্য, দীনেশ ত্রিবেদী ইউপিএ সরকারের আমলে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জোড়াফুল শিবির ছাড়েন। ২০২১ সালের ৬ মার্চ তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো মোদী সরকারের তরফে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। কোনও কূটনীতিককে না নিয়োগ করে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের ভারতের দূত হিসেবে পাঠানোর ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির কোনও বাধা নেই। এই পদগুলি যে কেবল ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয়, সে বিষয়েও মোদী সরকার নিজেদের অবস্থান প্রকট করল।