ওঙ্কার ডেস্ক: রাশিয়া যাতে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করে তার জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিছু দিন আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলাস্কায় সেই বৈঠকের পর যুদ্ধ বন্ধের কোনও সূত্র বেরিয়ে আসেনি। এই আবহে ইউক্রেনে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাল মস্কো। এর ফলে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অন্তত ৪৮ জন।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর রুশ হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছে চার শিশু। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছেন অনেকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এদিন এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘রাশিয়া আলোচনার টেবিল নয়, ব্যালিস্টিক মিসাইলকেই বেছে নিয়েছে।’ ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার রাতে রাশিয়া প্রায় ৬০০ ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি একাধিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে মস্কো। যদিও ৫৬৩ ড্রোন এবং ২৬টি মিসাইল ইউক্রেনের বাহিনী ভূপাতিত করেছে বলে দাবি কিয়েভের। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের পর এটি ইউক্রেনের উপর দ্বিতীয় বৃহত্তম রুশ হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এদিন ইউক্রেনও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। কিয়েভের হামলায় রাশিয়ার সামারা ও ক্রাসনোদার অঞ্চলে দু’টি তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেনারেল কিথ কেলগ এই হামলার পর মন্তব্য করেছেন, মস্কোর এই আক্রমণ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার পথে বাধা। রুশ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
