ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক চাপিয়েছেন। যার ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্য রফতানি ধাক্কা খেয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভারতীয় সামুদ্রিক মৎস্যজীবীরা। এই পরিস্থিতিতে কী ভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বাজার ভারতীয় মৎস্যজীবীদের জন্য খুলে দিয়েছে। এবার চিনও ভারতের সামুদ্রিক খাবার রফতানিকারকদের জন্য নিজেদের বাজার উন্মুক্ত করে দিল। বেজিং এর বাজারে সামুদ্রিক চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে এর ফলে দেশটিতে চিংড়ি রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের আধিপত্য বিস্তার হতে চলেছে।
উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও সামুদ্রিক খাবারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের অস্বাভাবিক হারে শুল্ক চাপানোর ফলে রফতানিকারকরা সমস্যার মুখে পড়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও সামুদ্রিক খাবারের চাহিদা রয়েছে রাশিয়া, ব্রিটেন, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, চিন, জাপান এবং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতে। এতদিন এই সমস্ত দেশগুলিতে বিকল্প বাজার খোঁজার চেষ্টা করছিল নয়াদিল্লি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারতীয় চিংড়ির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ ছিল চিন। ওয়াশিংটন দরজা বন্ধ করায় এখন চিনের বাজারই সবচেয়ে সম্ভাবনাময় বাজার হিসাবে উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে বাজার পর্যবেক্ষকরা। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারতের সামুদ্রিক খাবার রফতানিকারকদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে অতিরিক্ত ১০২টি ভারতীয় মৎস্য সংস্থাকে অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
